মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে লক্ষ্য করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তেহরান আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র—ধ্বংস করে দিতে পারে। তার ভাষায়, “তারা যদি তা না করে, তাহলে তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না—কিছুই থাকবে না।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলেন এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প আরও মন্তব্য করেন, তিনি আপাতত এর চেয়ে বেশি এগোতে চান না, কারণ আরও বড় বিষয় সামনে রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল সম্পদ দখল করতেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের তেল নিয়ে আসতে পারবে এবং তাতে ইরান কিছুই করতে পারবে না। তিনি উল্লেখ করেন, “আমার ওপর নির্ভর করলে আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। এতে আমরা অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতে পারতাম।”
এই মন্তব্যে বোঝা যায়, ট্রাম্প কেবল সামরিক চাপ নয়, অর্থনৈতিক সম্পদ নিয়েও কড়া অবস্থান তুলে ধরছেন। যদিও তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ দেশে ফিরে আসার পক্ষে, তবু ব্যক্তিগতভাবে তিনি ইরানের তেল দখলের ধারণাকে সমর্থন করেন বলে ইঙ্গিত দেন। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ????

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে লক্ষ্য করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তেহরান আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র—ধ্বংস করে দিতে পারে। তার ভাষায়, “তারা যদি তা না করে, তাহলে তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না—কিছুই থাকবে না।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলেন এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন।
ট্রাম্প আরও মন্তব্য করেন, তিনি আপাতত এর চেয়ে বেশি এগোতে চান না, কারণ আরও বড় বিষয় সামনে রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল সম্পদ দখল করতেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের তেল নিয়ে আসতে পারবে এবং তাতে ইরান কিছুই করতে পারবে না। তিনি উল্লেখ করেন, “আমার ওপর নির্ভর করলে আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। এতে আমরা অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতে পারতাম।”
এই মন্তব্যে বোঝা যায়, ট্রাম্প কেবল সামরিক চাপ নয়, অর্থনৈতিক সম্পদ নিয়েও কড়া অবস্থান তুলে ধরছেন। যদিও তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ দেশে ফিরে আসার পক্ষে, তবু ব্যক্তিগতভাবে তিনি ইরানের তেল দখলের ধারণাকে সমর্থন করেন বলে ইঙ্গিত দেন। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ????

আপনার মতামত লিখুন