রাজধানীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোড–এর গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় দুই বছর পর তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাত প্রায় ১০টার দিকে আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে থাকা কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক জিসানের নির্দেশে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রাহকেরা বিল পরিশোধ না করে বেরিয়ে যেতে পারেন—এই আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে যেসব বিষয়
আগুন লাগার পর দ্রুত বের হওয়ার সুযোগ পাননি ভেতরে থাকা অনেক গ্রাহক
বাইরে থেকে দরজা বন্ধ থাকায় আটকা পড়ে যান বহু মানুষ
ধোঁয়া ও আগুনের তীব্রতায় হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড় ধরনের ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেছে তদন্ত সংস্থা
সিআইডি বলছে, এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে এবং বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ঘটনার পরপরই ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি নির্গমন পথ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল। তদন্ত শেষে দায় নির্ধারণ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো, যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে। ⚖️

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোড–এর গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় দুই বছর পর তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাত প্রায় ১০টার দিকে আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে থাকা কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক জিসানের নির্দেশে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রাহকেরা বিল পরিশোধ না করে বেরিয়ে যেতে পারেন—এই আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে যেসব বিষয়
আগুন লাগার পর দ্রুত বের হওয়ার সুযোগ পাননি ভেতরে থাকা অনেক গ্রাহক
বাইরে থেকে দরজা বন্ধ থাকায় আটকা পড়ে যান বহু মানুষ
ধোঁয়া ও আগুনের তীব্রতায় হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড় ধরনের ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেছে তদন্ত সংস্থা
সিআইডি বলছে, এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে এবং বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ঘটনার পরপরই ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি নির্গমন পথ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল। তদন্ত শেষে দায় নির্ধারণ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো, যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে। ⚖️

আপনার মতামত লিখুন