গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজি মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেলের ৫ বছরের কারাদণ্ড ⚖️
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার একটি নির্মাণাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মেহেদী হাসান রাসেলসহ তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে গোপালগঞ্জের যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি রাসেলের সহযোগী হিসেবে মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।
রায়ের বিস্তারিত
প্রত্যেক আসামিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
মামলার প্রেক্ষাপট
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কাশিয়ানীতে নির্মাণাধীন একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। পরে ভুক্তভোগী পক্ষ মামলা করলে তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
আদালত বলেন, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধ শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের অপরাধে কঠোর শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
এই রায়ের মাধ্যমে এলাকায় চাঁদাবাজি দমনে ইতিবাচক বার্তা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজি মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেলের ৫ বছরের কারাদণ্ড ⚖️
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার একটি নির্মাণাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মেহেদী হাসান রাসেলসহ তিনজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে গোপালগঞ্জের যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইয়াসিন আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি রাসেলের সহযোগী হিসেবে মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।
রায়ের বিস্তারিত
প্রত্যেক আসামিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
মামলার প্রেক্ষাপট
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কাশিয়ানীতে নির্মাণাধীন একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। পরে ভুক্তভোগী পক্ষ মামলা করলে তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
আদালত বলেন, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অপরাধ শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের অপরাধে কঠোর শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।
এই রায়ের মাধ্যমে এলাকায় চাঁদাবাজি দমনে ইতিবাচক বার্তা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন