ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোনে ধ্বংস ৭০ কোটির মার্কিন বিমান — দাবি আইআরজিসির
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে নতুন দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি Shahed-136 drone ব্যবহার করে ৭০ কোটি ডলারের একটি মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে।
কী ঘটেছে
আইআরজিসি জানায়, গত শুক্রবার সৌদি আরবের Prince Sultan Air Base লক্ষ্য করে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি Boeing E-3 Sentry নজরদারি বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল বিমান
শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের আনুমানিক মূল্য: প্রায় ২০ হাজার ডলার
বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের আনুমানিক মূল্য: প্রায় ৭০ কোটি ডলার
এতে তুলনামূলক কম খরচে বড় ক্ষতি করার সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট
Boeing E-3 Sentry মূলত আকাশপথে নজরদারি ও যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
Shahed-136 drone এক ধরনের লয়টারিং মিউনিশন বা ‘কামিকাজে ড্রোন’, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে নিজেই বিস্ফোরিত হয়।
স্বাধীনভাবে নিশ্চিত?
এ ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি যাচাইযোগ্য দাবি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কম দামের ড্রোন দিয়ে অত্যন্ত ব্যয়বহুল নজরদারি বিমান ধ্বংসের দাবি সামরিক প্রযুক্তি ও যুদ্ধ কৌশল নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ইরানের ২০ হাজার ডলারের ড্রোনে ধ্বংস ৭০ কোটির মার্কিন বিমান — দাবি আইআরজিসির
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে নতুন দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি Shahed-136 drone ব্যবহার করে ৭০ কোটি ডলারের একটি মার্কিন নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে।
কী ঘটেছে
আইআরজিসি জানায়, গত শুক্রবার সৌদি আরবের Prince Sultan Air Base লক্ষ্য করে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি Boeing E-3 Sentry নজরদারি বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল বিমান
শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের আনুমানিক মূল্য: প্রায় ২০ হাজার ডলার
বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের আনুমানিক মূল্য: প্রায় ৭০ কোটি ডলার
এতে তুলনামূলক কম খরচে বড় ক্ষতি করার সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট
Boeing E-3 Sentry মূলত আকাশপথে নজরদারি ও যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
Shahed-136 drone এক ধরনের লয়টারিং মিউনিশন বা ‘কামিকাজে ড্রোন’, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে নিজেই বিস্ফোরিত হয়।
স্বাধীনভাবে নিশ্চিত?
এ ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি যাচাইযোগ্য দাবি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কম দামের ড্রোন দিয়ে অত্যন্ত ব্যয়বহুল নজরদারি বিমান ধ্বংসের দাবি সামরিক প্রযুক্তি ও যুদ্ধ কৌশল নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন