ই’রানের হাম/লায় লন্ডভন্ড ইস/রায়েল, কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইস’রায়েলী মেয়র
* অবিরাম রকেট হামলায় নিজ শহরের নাগরিকদের রক্ষা করতে না পেরে এভাবেই জনসমক্ষে কান্না করছেন ইজরায়েলের মেয়র ইতান দাভিদি। লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মুখে লণ্ডভণ্ড ইজরায়েল। বিশেষ করে সীমান্ত জনপদগুলো এখন মৃত্যুপুরী, নিস্তব্ধতা।
]** প্রশ্ন উঠেছে, একদিকে ইরান, অন্যদিকে হিজবুল্লাহর দফায় দফায় হামলায় কী করবে ইজরায়েল? আর এভাবেই দেশটির আরেক জনপ্রিয় মেয়র আভিচাই স্টার্ন সরাসরি তীব্র ক্ষোভ ছাড়েন নেতানিয়াহুর ওপর। তিনি বলেন, ২৪ হাজার মানুষের এই সমৃদ্ধ শহরে এখন মাত্র ১০ হাজার বাসিন্দা অবশিষ্ট আছে। সংঘাত এভাবে চলতে থাকলে এক মাসের মধ্যে শহরটি পুরোপুরি জনশূন্য হয়ে পড়বে।
*(ওয়ালটনের বিজ্ঞাপন)* "এই গরমে আরাম নিয়ে হবে না হাহুতাশ, ঘুরলে পরে ওয়ালটন ফ্যান বাতাস আর বাতাস।"
]** এসময় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্থানীয় মেয়রদের অনুরোধ করেছেন যেন তারা বাসিন্দাদের এলাকা না ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেন। তবে নেতানিয়াহুর এমন অনুরোধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কাউন্সিল প্রধানরা। এসময় মেয়র স্টার্ন পাল্টা প্রশ্ন রাখেন, যেখানে সাইরেন বাজার পর নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়, সেখানে পর্যাপ্ত বোম শেল্টার ছাড়া মানুষ কীভাবে ঘরে থাকবে?
২৫ মার্চ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়ালি বৈঠকে নেতানিয়াহুর সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন ইজরায়েলের মেয়র ও কাউন্সিলররা। বৈঠকে চলমান এ যুদ্ধে নেতানিয়াহুর এক বড় পরাজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা। এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইজরায়েল।
ইজরায়েলের এই মেয়র অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, সম্প্রতি রকেট হামলায় নিহত ২৭ বছর বয়সী যুবক আগামী সেপ্টেম্বরে বিয়ের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার আগেই তাকে রকেট হামলায় কবরে যেতে হলো।
লেবানন ও ইরান এমন হামলার পর প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি যুদ্ধের সব সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে ইজরায়েল?

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ই’রানের হাম/লায় লন্ডভন্ড ইস/রায়েল, কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইস’রায়েলী মেয়র
* অবিরাম রকেট হামলায় নিজ শহরের নাগরিকদের রক্ষা করতে না পেরে এভাবেই জনসমক্ষে কান্না করছেন ইজরায়েলের মেয়র ইতান দাভিদি। লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার মুখে লণ্ডভণ্ড ইজরায়েল। বিশেষ করে সীমান্ত জনপদগুলো এখন মৃত্যুপুরী, নিস্তব্ধতা।
]** প্রশ্ন উঠেছে, একদিকে ইরান, অন্যদিকে হিজবুল্লাহর দফায় দফায় হামলায় কী করবে ইজরায়েল? আর এভাবেই দেশটির আরেক জনপ্রিয় মেয়র আভিচাই স্টার্ন সরাসরি তীব্র ক্ষোভ ছাড়েন নেতানিয়াহুর ওপর। তিনি বলেন, ২৪ হাজার মানুষের এই সমৃদ্ধ শহরে এখন মাত্র ১০ হাজার বাসিন্দা অবশিষ্ট আছে। সংঘাত এভাবে চলতে থাকলে এক মাসের মধ্যে শহরটি পুরোপুরি জনশূন্য হয়ে পড়বে।
*(ওয়ালটনের বিজ্ঞাপন)* "এই গরমে আরাম নিয়ে হবে না হাহুতাশ, ঘুরলে পরে ওয়ালটন ফ্যান বাতাস আর বাতাস।"
]** এসময় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্থানীয় মেয়রদের অনুরোধ করেছেন যেন তারা বাসিন্দাদের এলাকা না ছাড়ার জন্য অনুরোধ করেন। তবে নেতানিয়াহুর এমন অনুরোধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কাউন্সিল প্রধানরা। এসময় মেয়র স্টার্ন পাল্টা প্রশ্ন রাখেন, যেখানে সাইরেন বাজার পর নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়, সেখানে পর্যাপ্ত বোম শেল্টার ছাড়া মানুষ কীভাবে ঘরে থাকবে?
২৫ মার্চ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়ালি বৈঠকে নেতানিয়াহুর সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন ইজরায়েলের মেয়র ও কাউন্সিলররা। বৈঠকে চলমান এ যুদ্ধে নেতানিয়াহুর এক বড় পরাজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা। এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইজরায়েল।
ইজরায়েলের এই মেয়র অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, সম্প্রতি রকেট হামলায় নিহত ২৭ বছর বয়সী যুবক আগামী সেপ্টেম্বরে বিয়ের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার আগেই তাকে রকেট হামলায় কবরে যেতে হলো।
লেবানন ও ইরান এমন হামলার পর প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি যুদ্ধের সব সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে ইজরায়েল?

আপনার মতামত লিখুন