যাত্রাবাড়ীতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন ‘দেশের কণ্ঠ’ পত্রিকার এক সাংবাদিক। আর সেই হামলার জের ধরে এবার প্রাণ হারালেন তার মা। আহত ছেলের মুখের ব্যান্ডেজ খোলার সময় রক্ত দেখে অচেতন হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
জানা যায়, সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের খবর পেয়ে তা সংগ্রহ করতে যান কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী। সেখানে তারা সংঘবদ্ধ চক্রের হামলার শিকার হন। সহকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে ‘দেশের কণ্ঠ’ পত্রিকার ওই সাংবাদিকও দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার ওপরও বর্বরোচিত হামলা চালায়। এতে তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে অন্য সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেন।
পরিবার ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর ওই সাংবাদিক বাসাতেই বিশ্রামে ছিলেন। কিন্তু দুই দিন আগে তার মুখের ক্ষতের ব্যান্ডেজ খোলার সময় সেখান থেকে কিছুটা রক্ত বের হতে থাকে। চোখের সামনে ছেলের এমন রক্তাক্ত অবস্থা ও ক্ষত দেখে তার মা মানসিকভাবে চরম আঘাত পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং এর জেরে একজন মায়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন— "এই দায় কার?"
সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে যাত্রাবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
যাত্রাবাড়ীতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন ‘দেশের কণ্ঠ’ পত্রিকার এক সাংবাদিক। আর সেই হামলার জের ধরে এবার প্রাণ হারালেন তার মা। আহত ছেলের মুখের ব্যান্ডেজ খোলার সময় রক্ত দেখে অচেতন হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
জানা যায়, সম্প্রতি যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের খবর পেয়ে তা সংগ্রহ করতে যান কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী। সেখানে তারা সংঘবদ্ধ চক্রের হামলার শিকার হন। সহকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে ‘দেশের কণ্ঠ’ পত্রিকার ওই সাংবাদিকও দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার ওপরও বর্বরোচিত হামলা চালায়। এতে তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে অন্য সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেন।
পরিবার ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর ওই সাংবাদিক বাসাতেই বিশ্রামে ছিলেন। কিন্তু দুই দিন আগে তার মুখের ক্ষতের ব্যান্ডেজ খোলার সময় সেখান থেকে কিছুটা রক্ত বের হতে থাকে। চোখের সামনে ছেলের এমন রক্তাক্ত অবস্থা ও ক্ষত দেখে তার মা মানসিকভাবে চরম আঘাত পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং এর জেরে একজন মায়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন— "এই দায় কার?"
সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে যাত্রাবাড়ীতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন