???? আগস্টের আগে-পরে সব হত্যার বিচার হবে: আইজিপি
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ৫ আগস্টের আগে ও পরে সংঘটিত সব ধরনের প্রাণহানির ঘটনায়—পুলিশ সদস্যদের হত্যা সহ—আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ গঠনে নাগরিকদের আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সামান্য বিষয়েও রাস্তায় নেমে সড়ক অবরোধ করা ঠিক নয়। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। বিশেষ করে তরুণদের এ ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে কিছু তরুণ হতাশ হয়ে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন আইজিপি। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নত করা সম্ভব।
মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে আইজিপি বলেন, পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদক নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতন অংশকে তরুণদের সঠিক পথে রাখার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শেষে আইজিপি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো সহিংসতা বা প্রাণহানির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে। ⚖️????

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
???? আগস্টের আগে-পরে সব হত্যার বিচার হবে: আইজিপি
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ৫ আগস্টের আগে ও পরে সংঘটিত সব ধরনের প্রাণহানির ঘটনায়—পুলিশ সদস্যদের হত্যা সহ—আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ গঠনে নাগরিকদের আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সামান্য বিষয়েও রাস্তায় নেমে সড়ক অবরোধ করা ঠিক নয়। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। বিশেষ করে তরুণদের এ ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে কিছু তরুণ হতাশ হয়ে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন আইজিপি। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নত করা সম্ভব।
মাদকবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে আইজিপি বলেন, পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। মাদক নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতন অংশকে তরুণদের সঠিক পথে রাখার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শেষে আইজিপি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো সহিংসতা বা প্রাণহানির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে। ⚖️????

আপনার মতামত লিখুন