দেশে নৈতিক শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক।
রোববার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জোরদার করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়ে ভাবছে। এ ক্ষেত্রে শুধু ইসলাম ধর্মের শিক্ষক নয়, দেশের অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদেরও নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন–এর করা প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম, পাঠ্যক্রম ও প্রশাসনিক কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে। এরপর সেই সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা খাত সম্প্রসারণের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষার্থীর চাহিদা এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
সরকারের এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে একদিকে শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাও আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
দেশে নৈতিক শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক।
রোববার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জোরদার করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়ে ভাবছে। এ ক্ষেত্রে শুধু ইসলাম ধর্মের শিক্ষক নয়, দেশের অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদেরও নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।
সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন–এর করা প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম, পাঠ্যক্রম ও প্রশাসনিক কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে। এরপর সেই সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা খাত সম্প্রসারণের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষার্থীর চাহিদা এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
সরকারের এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে একদিকে শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থাও আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন