ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন

জাইমা রহমানের রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

জাইমা রহমানের রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট
ছবি সংগৃহীত

জাইমা রহমানের রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট:

জাইমা রহমান (জন্ম ১৯৯৫) বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ এবং বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাতনি, তিনি তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা, লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় অনেক ভালো কাজে অবদান রেখেছেন এবং ইতিমধ্যেই রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, 

ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জীবনী:

জন্ম ও পরিবার: ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি বিএনপি ঘরানার রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন।

শিক্ষাজীবন: লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে 'বার-অ্যাট-ল' ডিগ্রি অর্জন করেন।

নির্বাসিত জীবন ও কর্মজীবন: ২০০৮ সালে বাবার সাথে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন, ব্যারিস্টার হিসেবে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: তিনি দীর্ঘ সময় পর্দার আড়ালে থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৫ সালের শেষে) দেশে ফিরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাইমা রহমান কেবল বিএনপির পরিবারের সদস্য হিসেবেই নন, বরং একজন মেধাবী ব্যক্তি হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়ার বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছেন।

সক্রিয় অংশগ্রহণ: সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এবং জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন, যা তার সক্রিয় রাজনীতির ইঙ্গিত দেয়।

জনসংযোগ ও ইতিবাচক ইমেজ: নতুন প্রজন্মের কাছে বিএনপির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তিনি তার ইংরেজি দক্ষতা ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা ব্যবহার করছেন।

অবস্থান: পারিবারিক ঐতিহ্য: জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য প্রবেশ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে, রাজনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে বাবার কাছ থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন।

তিনি জিয়া পরিবারের সম্ভাবনাময়ী মুখ হিসেবে পরিচিত এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে কথা বলে থাকেন,

২০২৫ সালের শেষে তার দেশে ফেরা এবং জনসমক্ষে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি,

সম্ভাবনা আমরা আশা করছি যে আগামীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য ও নাগরিকদের মানবসম্পদে পরিনত করার জন্য কাজ করে বাংলাদেশের উন্নতি সাধন করতে পারেন।

মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬


জাইমা রহমানের রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

জাইমা রহমানের রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট:

জাইমা রহমান (জন্ম ১৯৯৫) বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ এবং বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাতনি, তিনি তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা, লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় অনেক ভালো কাজে অবদান রেখেছেন এবং ইতিমধ্যেই রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, 

ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জীবনী:

জন্ম ও পরিবার: ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি বিএনপি ঘরানার রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন।

শিক্ষাজীবন: লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে 'বার-অ্যাট-ল' ডিগ্রি অর্জন করেন।

নির্বাসিত জীবন ও কর্মজীবন: ২০০৮ সালে বাবার সাথে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন, ব্যারিস্টার হিসেবে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: তিনি দীর্ঘ সময় পর্দার আড়ালে থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৫ সালের শেষে) দেশে ফিরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাইমা রহমান কেবল বিএনপির পরিবারের সদস্য হিসেবেই নন, বরং একজন মেধাবী ব্যক্তি হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়ার বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছেন।


সক্রিয় অংশগ্রহণ: সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এবং জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন, যা তার সক্রিয় রাজনীতির ইঙ্গিত দেয়।

জনসংযোগ ও ইতিবাচক ইমেজ: নতুন প্রজন্মের কাছে বিএনপির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তিনি তার ইংরেজি দক্ষতা ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা ব্যবহার করছেন।

অবস্থান: পারিবারিক ঐতিহ্য: জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য প্রবেশ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে, রাজনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে বাবার কাছ থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন।

তিনি জিয়া পরিবারের সম্ভাবনাময়ী মুখ হিসেবে পরিচিত এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে কথা বলে থাকেন,

২০২৫ সালের শেষে তার দেশে ফেরা এবং জনসমক্ষে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি,

সম্ভাবনা আমরা আশা করছি যে আগামীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য ও নাগরিকদের মানবসম্পদে পরিনত করার জন্য কাজ করে বাংলাদেশের উন্নতি সাধন করতে পারেন।


মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল