কোরআনের ৬৯তম সূরা ‘আল-হাক্কাহ’: কেয়ামতের ভয়াবহতা ও নাজাতের বার্তা
ঢাকা: পবিত্র কোরআনের ৬৯তম সূরা ‘আল-হাক্কাহ’ মুমিনদেরকে কেয়ামতের দিন ও আল্লাহর বিচারের কথা স্মরণ করায়। মক্কায় অবতীর্ণ এই সূরায় ৫২টি আয়াত ও ২টি রুকু রয়েছে।
সূরার নাম ‘আল-হাক্কাহ’ অর্থ “অপরিহার্য সত্য।” সূরার শুরুতেই বলা হয়েছে কেয়ামত আসবে অবধারিতভাবে। এখানে অতীত সম্প্রদায়ের উদাহরণ উল্লেখ করা হয়েছে—যেমন আদ, সমূদ ও ফেরাউন—যারা আল্লাহর আহ্বান অগ্রাহ্য করেছিল। তাদের শাস্তি মানবজাতিকে সতর্কবার্তা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সূরায় বর্ণিত কেয়ামতের দিন দৃশ্যগুলো ভয়ঙ্কর। তখন আটজন ফেরেশতা আল্লাহর আরশ বহন করবেন। মানুষকে বিচারের জন্য দাঁড় করানো হবে, তাদের কাজের হিসাব নেওয়া হবে। সৎ ও ঈমানদাররা নাজাত পাবে, অন্যদিকে যারা অবিশ্বাসী ও অন্যায় করেছেন তারা জাহান্নামে নিক্ষেপিত হবেন।
বিশেষভাবে সূরাটি মুমিনদের সতর্কবার্তা দেয়—সৎ পথে চলতে, আল্লাহর আজ্ঞা মেনে চলতে এবং দুনিয়ার লোভে অন্ধ না হতে। সূরার দ্বিতীয় রুকুতে মানুষের বিচারের পরিণতি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করান, ‘আল-হাক্কাহ’ সূরা কেবল কেয়ামতের ভয়াবহতা দেখায় না, বরং নাজাত ও সঠিক পথে চলার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। এটি প্রতিটি মুসলমানকে মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের শেষ হিসাবের দিন সবাইকে দাঁড়াতে হবে, এবং সেই হিসাব অনুযায়ী স্বর্গ বা নরক পাবে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
কোরআনের ৬৯তম সূরা ‘আল-হাক্কাহ’: কেয়ামতের ভয়াবহতা ও নাজাতের বার্তা
ঢাকা: পবিত্র কোরআনের ৬৯তম সূরা ‘আল-হাক্কাহ’ মুমিনদেরকে কেয়ামতের দিন ও আল্লাহর বিচারের কথা স্মরণ করায়। মক্কায় অবতীর্ণ এই সূরায় ৫২টি আয়াত ও ২টি রুকু রয়েছে।
সূরার নাম ‘আল-হাক্কাহ’ অর্থ “অপরিহার্য সত্য।” সূরার শুরুতেই বলা হয়েছে কেয়ামত আসবে অবধারিতভাবে। এখানে অতীত সম্প্রদায়ের উদাহরণ উল্লেখ করা হয়েছে—যেমন আদ, সমূদ ও ফেরাউন—যারা আল্লাহর আহ্বান অগ্রাহ্য করেছিল। তাদের শাস্তি মানবজাতিকে সতর্কবার্তা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সূরায় বর্ণিত কেয়ামতের দিন দৃশ্যগুলো ভয়ঙ্কর। তখন আটজন ফেরেশতা আল্লাহর আরশ বহন করবেন। মানুষকে বিচারের জন্য দাঁড় করানো হবে, তাদের কাজের হিসাব নেওয়া হবে। সৎ ও ঈমানদাররা নাজাত পাবে, অন্যদিকে যারা অবিশ্বাসী ও অন্যায় করেছেন তারা জাহান্নামে নিক্ষেপিত হবেন।
বিশেষভাবে সূরাটি মুমিনদের সতর্কবার্তা দেয়—সৎ পথে চলতে, আল্লাহর আজ্ঞা মেনে চলতে এবং দুনিয়ার লোভে অন্ধ না হতে। সূরার দ্বিতীয় রুকুতে মানুষের বিচারের পরিণতি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করান, ‘আল-হাক্কাহ’ সূরা কেবল কেয়ামতের ভয়াবহতা দেখায় না, বরং নাজাত ও সঠিক পথে চলার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। এটি প্রতিটি মুসলমানকে মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের শেষ হিসাবের দিন সবাইকে দাঁড়াতে হবে, এবং সেই হিসাব অনুযায়ী স্বর্গ বা নরক পাবে।

আপনার মতামত লিখুন