মোংলায় একই পরিবারের ৯ জনের জন্য পাশাপাশি কবর, খনন করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন গোরখোদকেরা
বাগেরহাটের মোংলা পৌর কবরস্থানে জীবনে প্রথমবারের মতো একদিনে একসঙ্গে ৯টি কবর খুঁড়লেন তিন গোরখোদক। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে কবর খননের কাজ শুরু করেন কবরস্থানের গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান। দুপুরের আগেই তারা একে একে খনন করেন মোট ৯টি কবর। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি প্রাপ্তবয়স্ক এবং ২টি শিশু বাচ্চার কবর।
গোরখোদকরা জানান, তারা প্রায় ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে কবর খননের কাজ করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে কখনো একদিনে এতগুলো কবর খননের অভিজ্ঞতা তাদের হয়নি। এবারই প্রথম এমন ঘটনার মুখোমুখি হলেন তারা, তাও আবার একই পরিবারের ৯ সদস্যের জন্য।
তাদের ভাষায়, এমন ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং কষ্টদায়ক। পাশাপাশি ৯টি কবর খুঁড়তে গিয়ে বারবার হাত কেঁপে উঠছিল। কাজ করতে গিয়ে বুক ভারী হয়ে আসছিল।
গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান বলেন, “আমরা জীবনে অনেক কবর খুঁড়েছি। কিন্তু একসঙ্গে একই পরিবারের ৯ জনের জন্য কবর খুঁড়তে হবে—এটা কখনো ভাবিনি। পাশাপাশি ৯টা কবর খুঁড়তে গিয়ে আমাদের হাত কাঁপছিল। খুব কষ্ট লাগছিল।”
স্থানীয়দের মতে, একই পরিবারের এতজনের মৃত্যু এবং তাদের জন্য পাশাপাশি কবর খননের দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। ঘটনাটি এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, নিহতদের দাফনের জন্য পৌর কবরস্থানে পাশাপাশি ৯টি কবর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
মোংলায় একই পরিবারের ৯ জনের জন্য পাশাপাশি কবর, খনন করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন গোরখোদকেরা
বাগেরহাটের মোংলা পৌর কবরস্থানে জীবনে প্রথমবারের মতো একদিনে একসঙ্গে ৯টি কবর খুঁড়লেন তিন গোরখোদক। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে কবর খননের কাজ শুরু করেন কবরস্থানের গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান। দুপুরের আগেই তারা একে একে খনন করেন মোট ৯টি কবর। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি প্রাপ্তবয়স্ক এবং ২টি শিশু বাচ্চার কবর।
গোরখোদকরা জানান, তারা প্রায় ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে কবর খননের কাজ করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে কখনো একদিনে এতগুলো কবর খননের অভিজ্ঞতা তাদের হয়নি। এবারই প্রথম এমন ঘটনার মুখোমুখি হলেন তারা, তাও আবার একই পরিবারের ৯ সদস্যের জন্য।
তাদের ভাষায়, এমন ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং কষ্টদায়ক। পাশাপাশি ৯টি কবর খুঁড়তে গিয়ে বারবার হাত কেঁপে উঠছিল। কাজ করতে গিয়ে বুক ভারী হয়ে আসছিল।
গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান বলেন, “আমরা জীবনে অনেক কবর খুঁড়েছি। কিন্তু একসঙ্গে একই পরিবারের ৯ জনের জন্য কবর খুঁড়তে হবে—এটা কখনো ভাবিনি। পাশাপাশি ৯টা কবর খুঁড়তে গিয়ে আমাদের হাত কাঁপছিল। খুব কষ্ট লাগছিল।”
স্থানীয়দের মতে, একই পরিবারের এতজনের মৃত্যু এবং তাদের জন্য পাশাপাশি কবর খননের দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। ঘটনাটি এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, নিহতদের দাফনের জন্য পৌর কবরস্থানে পাশাপাশি ৯টি কবর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন