বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে গত এক বছরে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে মন্থর গতি, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই প্রবৃদ্ধি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে এক কোটি টাকা বা তার বেশি আমানত রয়েছে—এমন হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪টি।
এর ঠিক এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে দেশে নতুন করে ১১ হাজার ৯৬৩টি কোটিপতি হিসাব যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরেই প্রায় ১২ হাজার নতুন কোটিপতি আমানতকারী ব্যাংক খাতে যুক্ত হয়েছেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কোটিপতি হিসাব বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের সঞ্চয় বৃদ্ধি, বড় ব্যবসায়ীদের ব্যাংকে অর্থ রাখার প্রবণতা এবং সম্পদের কেন্দ্রীকরণ। তবে একই সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা একদিকে যেমন দেশের ধনী শ্রেণির সম্পদ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে আয় বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তুলে ধরে। তাই অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে গত এক বছরে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সামগ্রিক অর্থনীতিতে মন্থর গতি, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই প্রবৃদ্ধি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে এক কোটি টাকা বা তার বেশি আমানত রয়েছে—এমন হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪টি।
এর ঠিক এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৮১টি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে দেশে নতুন করে ১১ হাজার ৯৬৩টি কোটিপতি হিসাব যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ মাত্র এক বছরেই প্রায় ১২ হাজার নতুন কোটিপতি আমানতকারী ব্যাংক খাতে যুক্ত হয়েছেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কোটিপতি হিসাব বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের সঞ্চয় বৃদ্ধি, বড় ব্যবসায়ীদের ব্যাংকে অর্থ রাখার প্রবণতা এবং সম্পদের কেন্দ্রীকরণ। তবে একই সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা একদিকে যেমন দেশের ধনী শ্রেণির সম্পদ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে আয় বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তুলে ধরে। তাই অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন