রমজানের শেষ দশ দিন এলেই পবিত্র নগরী জেরুজালেমের হৃদয়ে অবস্থিত Al-Aqsa Mosque সাধারণত লাখো মুসল্লির পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহর, গ্রাম এবং দখলকৃত ভূখণ্ডের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ ইতিকাফ, তারাবিহ, কোরআন তিলাওয়াত এবং রাতভর ইবাদতের জন্য ছুটে আসেন এই পবিত্র মসজিদে।
তবে চলতি বছর সেই চিরচেনা দৃশ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। দীর্ঘ ৬৯ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রমজানের শেষ দশকে প্রায় মুসল্লিশূন্য হয়ে পড়েছে আল-আকসা মসজিদ ও জেরুজালেমের পুরনো শহর। সাধারণত যেখানে হাজার হাজার মুসল্লি ইতিকাফে বসেন, সেখানে এবার দেখা যাচ্ছে বিরল নীরবতা।
১৯৬৭ সালের Six-Day War-এর সময় ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করার পর থেকে নানা বিধিনিষেধের মধ্যেও মুসল্লিরা আল-আকসায় ইতিকাফ পালন করে আসছিলেন। কিন্তু এবার নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান সংঘাত এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে ফিলিস্তিনিদের অনেককেই জেরুজালেমে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, পশ্চিম তীরের বহু মুসল্লি চেকপয়েন্টে আটকে যাচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি ছাড়া মসজিদ এলাকায় প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রতি বছর রমজানের শেষ দশকে যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, এবার তা দেখা যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, আল-আকসায় ইতিকাফ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই ঘটনা শুধু ধর্মীয় দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক ও মানবিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কাছে আল-আকসা শুধু একটি মসজিদ নয়, বরং তাদের ধর্মীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের প্রতীক।
পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রমজানের শেষ দিনগুলোতেও আল-আকসা মসজিদে স্বাভাবিক ধর্মীয় কার্যক্রম পুরোপুরি ফিরবে কিনা—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
রমজানের শেষ দশ দিন এলেই পবিত্র নগরী জেরুজালেমের হৃদয়ে অবস্থিত Al-Aqsa Mosque সাধারণত লাখো মুসল্লির পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহর, গ্রাম এবং দখলকৃত ভূখণ্ডের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ ইতিকাফ, তারাবিহ, কোরআন তিলাওয়াত এবং রাতভর ইবাদতের জন্য ছুটে আসেন এই পবিত্র মসজিদে।
তবে চলতি বছর সেই চিরচেনা দৃশ্য পুরোপুরি বদলে গেছে। দীর্ঘ ৬৯ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রমজানের শেষ দশকে প্রায় মুসল্লিশূন্য হয়ে পড়েছে আল-আকসা মসজিদ ও জেরুজালেমের পুরনো শহর। সাধারণত যেখানে হাজার হাজার মুসল্লি ইতিকাফে বসেন, সেখানে এবার দেখা যাচ্ছে বিরল নীরবতা।
১৯৬৭ সালের Six-Day War-এর সময় ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করার পর থেকে নানা বিধিনিষেধের মধ্যেও মুসল্লিরা আল-আকসায় ইতিকাফ পালন করে আসছিলেন। কিন্তু এবার নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান সংঘাত এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে ফিলিস্তিনিদের অনেককেই জেরুজালেমে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, পশ্চিম তীরের বহু মুসল্লি চেকপয়েন্টে আটকে যাচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি ছাড়া মসজিদ এলাকায় প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রতি বছর রমজানের শেষ দশকে যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, এবার তা দেখা যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, আল-আকসায় ইতিকাফ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই ঘটনা শুধু ধর্মীয় দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক ও মানবিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফিলিস্তিনি মুসলমানদের কাছে আল-আকসা শুধু একটি মসজিদ নয়, বরং তাদের ধর্মীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের প্রতীক।
পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রমজানের শেষ দিনগুলোতেও আল-আকসা মসজিদে স্বাভাবিক ধর্মীয় কার্যক্রম পুরোপুরি ফিরবে কিনা—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন