স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণের অধিকার নেই: আবদুল্লাহ তাহের
ঢাকা, ১১ মার্চ ২০২৬ – জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বুধবার বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার রাখেন না।
এই মন্তব্য তিনি সংসদের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে বলেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কেন তাকে দিয়ে সংসদে ভাষণ দেওয়াচ্ছে, তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি; আগামীকাল তা প্রকাশ করা হবে।”
তাহের আরও বলেন, ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। “অধিবেশনে প্রস্তাব আসার পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব,” তিনি যোগ করেন।
বৈঠকটি জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলটির সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব এবং সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়।
তাহেরের মন্তব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতা সীমিত, আর সংসদে ভাষণ দেওয়ার মতো মর্যাদা তিনি ধরে রাখতে পারেন না। এটি বিরোধী দলের মধ্যেও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন সরকারী দল বিএনপি তাকে অনুমতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের বিতর্ক জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের অবস্থান ও নেতৃত্বের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে। তাছাড়া, ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো বিষয়েও বিরোধী দল সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বিরোধী দল আগামী অধিবেশনে নোটিশ ও প্রস্তাব দিয়ে কৌশলগতভাবে অংশগ্রহণ করবে। দলের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপতির ভূমিকা ও সংসদীয় অধিকার সংক্রান্ত নিয়মবিধি স্পষ্ট করা এবং বিরোধী দলের অবস্থান দৃঢ় রাখা।
এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার জাতীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা এবং দলীয় অবস্থান সমন্বয় বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণের অধিকার নেই: আবদুল্লাহ তাহের
ঢাকা, ১১ মার্চ ২০২৬ – জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বুধবার বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার রাখেন না।
এই মন্তব্য তিনি সংসদের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে বলেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কেন তাকে দিয়ে সংসদে ভাষণ দেওয়াচ্ছে, তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি; আগামীকাল তা প্রকাশ করা হবে।”
তাহের আরও বলেন, ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। “অধিবেশনে প্রস্তাব আসার পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব,” তিনি যোগ করেন।
বৈঠকটি জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলটির সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব এবং সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়।
তাহেরের মন্তব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ও ক্ষমতা সীমিত, আর সংসদে ভাষণ দেওয়ার মতো মর্যাদা তিনি ধরে রাখতে পারেন না। এটি বিরোধী দলের মধ্যেও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন সরকারী দল বিএনপি তাকে অনুমতি দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের বিতর্ক জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের অবস্থান ও নেতৃত্বের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে। তাছাড়া, ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো বিষয়েও বিরোধী দল সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বিরোধী দল আগামী অধিবেশনে নোটিশ ও প্রস্তাব দিয়ে কৌশলগতভাবে অংশগ্রহণ করবে। দলের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপতির ভূমিকা ও সংসদীয় অধিকার সংক্রান্ত নিয়মবিধি স্পষ্ট করা এবং বিরোধী দলের অবস্থান দৃঢ় রাখা।
এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার জাতীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা এবং দলীয় অবস্থান সমন্বয় বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন