এক মাসের কম সময়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman বলেছেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত তার সরকার দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর Mohakhali এলাকার টিএন্ডটি মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কোটি কোটি পরিবারকে সরাসরি সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার শুরু থেকেই দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। নির্বাচনের সময় যে ইশতেহার জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। তাই জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহি রয়েছে। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক সংঘাত অনেক দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। এসব কারণে কিছু উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সামান্য বিলম্ব হতে পারে। তবে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবার, শ্রমজীবী মানুষ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করা হবে।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, এর মাধ্যমে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানকে সরাসরি সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত সুবিধা ও আর্থিক সহায়তা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্যান্য ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়া হবে। এতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগ কমে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সরকার পরিবারে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সেই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সাময়িক সহায়তা দেওয়া নয়; বরং এমন একটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হয়। এজন্য বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হচ্ছে।
শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে—ইনশাআল্লাহ।”

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
এক মাসের কম সময়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman বলেছেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত তার সরকার দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর Mohakhali এলাকার টিএন্ডটি মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কোটি কোটি পরিবারকে সরাসরি সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার শুরু থেকেই দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। নির্বাচনের সময় যে ইশতেহার জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। তাই জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহি রয়েছে। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক সংঘাত অনেক দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। এসব কারণে কিছু উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সামান্য বিলম্ব হতে পারে। তবে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবার, শ্রমজীবী মানুষ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করা হবে।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, এর মাধ্যমে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানকে সরাসরি সহায়তার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত সুবিধা ও আর্থিক সহায়তা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্যান্য ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে দেওয়া হবে। এতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগ কমে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সরকার পরিবারে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সেই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সাময়িক সহায়তা দেওয়া নয়; বরং এমন একটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হয়। এজন্য বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হচ্ছে।
শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে—ইনশাআল্লাহ।”

আপনার মতামত লিখুন