রাজধানীর মিরপুর এলাকায় একটি বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী-এর দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন আয়েশা সিদ্দিকা অন্যন্যা এবং শেখ রাকিবুজ্জামান।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে মিরপুর-২ নম্বরে অবস্থিত ১১ তলা বাণিজ্যিক ভবন ‘এলএ প্লাজা’-তে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ভবনের ভেতরে ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন।
উদ্ধার অভিযান
খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ছয়টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ৪টা ৩৫ মিনিটে পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।
উদ্ধার অভিযানে টার্ন টেবিল ল্যাডার (টিটিএল) ব্যবহার করে ছাদ ও বিভিন্ন তলা থেকে ১৪ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীকে নিরাপদে নামানো হয়।
নিহতদের উদ্ধার
উদ্ধারকারী দল ভবনের চার ও পাঁচ তলার মাঝামাঝি সিঁড়ি থেকে এক নারী ও এক পুরুষকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠায়। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের পরিচয়
আয়েশা সিদ্দিকা অন্যন্যা – বাড়ি সৈয়দপুর; তার বাবা পেশায় অটোরিকশা চালক।
শেখ রাকিবুজ্জামান – বাড়ি সিরাজদিখান।
বর্তমানে তাদের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পরে পরিবারের কাছে দেওয়া হবে।
তদন্ত চলছে
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ এবং কীভাবে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল—সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। ভবনটি বাণিজ্যিক হওয়ায় এবং তৃতীয় তলায় আগুন লাগায় উদ্ধার অভিযান কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছিল।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় একটি বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী-এর দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন আয়েশা সিদ্দিকা অন্যন্যা এবং শেখ রাকিবুজ্জামান।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে মিরপুর-২ নম্বরে অবস্থিত ১১ তলা বাণিজ্যিক ভবন ‘এলএ প্লাজা’-তে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ভবনের ভেতরে ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন।
উদ্ধার অভিযান
খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ছয়টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ৪টা ৩৫ মিনিটে পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।
উদ্ধার অভিযানে টার্ন টেবিল ল্যাডার (টিটিএল) ব্যবহার করে ছাদ ও বিভিন্ন তলা থেকে ১৪ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীকে নিরাপদে নামানো হয়।
নিহতদের উদ্ধার
উদ্ধারকারী দল ভবনের চার ও পাঁচ তলার মাঝামাঝি সিঁড়ি থেকে এক নারী ও এক পুরুষকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠায়। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতদের পরিচয়
আয়েশা সিদ্দিকা অন্যন্যা – বাড়ি সৈয়দপুর; তার বাবা পেশায় অটোরিকশা চালক।
শেখ রাকিবুজ্জামান – বাড়ি সিরাজদিখান।
বর্তমানে তাদের মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পরে পরিবারের কাছে দেওয়া হবে।
তদন্ত চলছে
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ এবং কীভাবে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল—সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। ভবনটি বাণিজ্যিক হওয়ায় এবং তৃতীয় তলায় আগুন লাগায় উদ্ধার অভিযান কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন