প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও Mirza Abbas মন্তব্য করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের ওপর বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে।
রোববার (৮ মার্চ) Bangladesh Krishi Bank আয়োজিত এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সতর্কতা
মির্জা আব্বাস বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যে সংঘাত চলছে, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
তার মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ব্যাংকিং খাতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ আমদানি-রফতানি কমে গেলে বৈদেশিক লেনদেন কমে যায়, যা ব্যাংকের তারল্য ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে চাপের মুখে ফেলতে পারে।
আমদানি-রফতানি নিয়ে শঙ্কা
তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে।”
তার মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে সাধারণ মানুষও অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
রাজনৈতিক অভিযোগ
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, বিরোধী পক্ষ তার বিরুদ্ধে “চরম মিথ্যাচার” করছে। তার দাবি, এ ধরনের অপপ্রচার আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও নিন্দনীয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকা উচিত।

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও Mirza Abbas মন্তব্য করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের ওপর বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে।
রোববার (৮ মার্চ) Bangladesh Krishi Bank আয়োজিত এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সতর্কতা
মির্জা আব্বাস বলেন, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যে সংঘাত চলছে, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
তার মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ব্যাংকিং খাতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ আমদানি-রফতানি কমে গেলে বৈদেশিক লেনদেন কমে যায়, যা ব্যাংকের তারল্য ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে চাপের মুখে ফেলতে পারে।
আমদানি-রফতানি নিয়ে শঙ্কা
তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে।”
তার মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে সাধারণ মানুষও অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
রাজনৈতিক অভিযোগ
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, বিরোধী পক্ষ তার বিরুদ্ধে “চরম মিথ্যাচার” করছে। তার দাবি, এ ধরনের অপপ্রচার আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও নিন্দনীয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন