সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে ইমিসহ তিনজন
রাজধানী ঢাকার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার স্লোগান ’৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো অন্য দুই আসামি হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং সংগঠনটির নেতা আব্দুল আল মামুন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে তিনজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে শাহবাগ থানাধীন শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে মাইক ব্যবহার করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করছিলেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকতকে হাতেনাতে আটক করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে একই দিন রাত প্রায় ৯টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর–এর ১ নম্বর গেটের সামনে আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে আরও ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়ো হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে ইমিসহ তিনজন
রাজধানী ঢাকার শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার স্লোগান ’৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো অন্য দুই আসামি হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং সংগঠনটির নেতা আব্দুল আল মামুন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে তিনজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে শাহবাগ থানাধীন শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য একত্রিত হয়ে মাইক ব্যবহার করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করছিলেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকতকে হাতেনাতে আটক করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে একই দিন রাত প্রায় ৯টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর–এর ১ নম্বর গেটের সামনে আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে আরও ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়ো হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন