ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী—Israel Defense Forces (আইডিএফ)—এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের মিসাইল লঞ্চারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম The Times of Israel–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, আইডিএফ কেরমানশাহ অঞ্চলে মোতায়েন করা একটি ‘কৌশলগত’ উন্নত এসএ-৬৫ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এসব হামলার উদ্দেশ্য ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি কমানো।
আইডিএফ আরও জানায়, তারা ইরানি সরকারের সামরিক অবকাঠামোতে ধারাবাহিকভাবে আঘাত হানছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি হোম ফ্রন্টের প্রতি হুমকি প্রতিহত করা এবং ইরানের সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত করা।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী—Israel Defense Forces (আইডিএফ)—এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের মিসাইল লঞ্চারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম The Times of Israel–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, আইডিএফ কেরমানশাহ অঞ্চলে মোতায়েন করা একটি ‘কৌশলগত’ উন্নত এসএ-৬৫ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এসব হামলার উদ্দেশ্য ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি কমানো।
আইডিএফ আরও জানায়, তারা ইরানি সরকারের সামরিক অবকাঠামোতে ধারাবাহিকভাবে আঘাত হানছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি হোম ফ্রন্টের প্রতি হুমকি প্রতিহত করা এবং ইরানের সামরিক কার্যক্রম ব্যাহত করা।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন