ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও প্রেসিডেন্টকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া গুজবকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু বিদেশি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়—ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei এবং প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবিকে “ভয়াবহ মিথ্যাচার” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম NBC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, “আমি যতটুকু জানি, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ি জীবিত আছেন।” তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও নিরাপদে আছেন এবং দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলি কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং খামেনেয়ি নিহত হয়ে থাকতে পারেন—এমন ‘সুস্পষ্ট ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেনি। ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন Kan 11 জানায়, খামেনেয়ির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার অবস্থান অজানা।
অন্যদিকে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের আশপাশ এবং খামেনেয়ির কমপাউন্ডের কাছে হামলা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়, পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf, সেনাপ্রধান Amir Hatami এবং বিচার বিভাগের প্রধান Gholam-Hossein Mohseni-Eje'i অক্ষত আছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তথ্যযুদ্ধও বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মৃত্যু সংক্রান্ত গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায় আনুষ্ঠানিক সূত্রের নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনো দাবি বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর নজরদারিতে রয়েছে।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও প্রেসিডেন্টকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া গুজবকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু বিদেশি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়—ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei এবং প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবিকে “ভয়াবহ মিথ্যাচার” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম NBC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, “আমি যতটুকু জানি, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ি জীবিত আছেন।” তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও নিরাপদে আছেন এবং দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলি কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং খামেনেয়ি নিহত হয়ে থাকতে পারেন—এমন ‘সুস্পষ্ট ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে ইসরায়েল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেনি। ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন Kan 11 জানায়, খামেনেয়ির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার অবস্থান অজানা।
অন্যদিকে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের আশপাশ এবং খামেনেয়ির কমপাউন্ডের কাছে হামলা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়, পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf, সেনাপ্রধান Amir Hatami এবং বিচার বিভাগের প্রধান Gholam-Hossein Mohseni-Eje'i অক্ষত আছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তথ্যযুদ্ধও বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উচ্চপর্যায়ের নেতাদের মৃত্যু সংক্রান্ত গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। এ অবস্থায় আনুষ্ঠানিক সূত্রের নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনো দাবি বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর নজরদারিতে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন