ইরানের ভূখণ্ডে হামলা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো বলছে, চলমান উত্তেজনা আর সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়াতে পারে—তাই সব পক্ষকে দ্রুত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে আসতে হবে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর খবরে জানানো হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ বলে উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পরিস্থিতির দ্রুত ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করা এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আগে তা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া।
রাশিয়ার মতে, ইরানের অভ্যন্তরে হামলা শুধু তেহরান ও ওয়াশিংটন-তেল আবিবের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াবে না, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে। অঞ্চলটি আগে থেকেই বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত—এ অবস্থায় নতুন করে সরাসরি সংঘাত পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।
মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। একইসঙ্গে রাশিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহুপাক্ষিক আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে। সর্বশেষ বিবৃতিতেও তারা বলেছে, সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসাই একমাত্র টেকসই পথ।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের ভূখণ্ডে হামলা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো বলছে, চলমান উত্তেজনা আর সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়াতে পারে—তাই সব পক্ষকে দ্রুত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে আসতে হবে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর খবরে জানানো হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ বলে উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পরিস্থিতির দ্রুত ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করা এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আগে তা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া।
রাশিয়ার মতে, ইরানের অভ্যন্তরে হামলা শুধু তেহরান ও ওয়াশিংটন-তেল আবিবের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াবে না, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে। অঞ্চলটি আগে থেকেই বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত—এ অবস্থায় নতুন করে সরাসরি সংঘাত পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।
মস্কো দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। একইসঙ্গে রাশিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহুপাক্ষিক আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে। সর্বশেষ বিবৃতিতেও তারা বলেছে, সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসাই একমাত্র টেকসই পথ।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন