বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি United States Fifth Fleet–এর সদরদপ্তরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, দেশটির রাজধানী Manama–এ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ শোনা যায় এবং আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। হামলার দায়ও এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। মার্কিন বা বাহরাইনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
ঘটনার সময় উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর পাওয়া যায়। Kuwait এবং United Arab Emirates–এ একই সময়ে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে কোনো সমন্বয় আছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে Qatar–ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, কাতারের আকাশসীমায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা প্রতিহত করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত Patriot missile system একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে, যা Iran থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি।
কৌশলগত গুরুত্ব
বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযান পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এই ঘাঁটি উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এখানে যেকোনো হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে
মানামায় বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
কাতার একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে, যা ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকতে পারে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনা বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, দায়ী পক্ষ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি United States Fifth Fleet–এর সদরদপ্তরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী, দেশটির রাজধানী Manama–এ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ শোনা যায় এবং আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। হামলার দায়ও এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি। মার্কিন বা বাহরাইনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
ঘটনার সময় উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর পাওয়া যায়। Kuwait এবং United Arab Emirates–এ একই সময়ে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে কোনো সমন্বয় আছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে Qatar–ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, কাতারের আকাশসীমায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা প্রতিহত করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত Patriot missile system একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে, যা Iran থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি।
কৌশলগত গুরুত্ব
বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযান পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এই ঘাঁটি উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে এখানে যেকোনো হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে
মানামায় বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
কাতার একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে, যা ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকতে পারে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনা বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, দায়ী পক্ষ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন