পাকিস্তান–আফগান সীমান্তে উত্তেজনা ও চীনের মধ্যস্থতা
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের কারণে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে তোরখাম সীমান্ত ক্রসিং এলাকায় তালেবান সৈন্য ও নিরাপত্তা কর্মীরা পাহারা দিচ্ছে, যা উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চীনের মধ্যস্থতা
চীন এই সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। বেইজিং জানিয়েছে যে তারা কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে সংকট নিরসনে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং জানান, ইসলামাবাদ ও কাবুলের সঙ্গে চীনের নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
চীন সবসময় সংলাপ ও আলোচনার পক্ষে, এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।
উত্তেজনার ইতিহাস
সীমান্ত সংঘর্ষ ও চীনের মধ্যস্থতার প্রেক্ষাপট আরও স্পষ্ট করতে কিছু পূর্ববর্তী ঘটনার দিকে তাকানো যায়:
গত বছরের অক্টোবর মাসে কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় দোহায় আলোচনার পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তার আগে সীমান্তজুড়ে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ এবং পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পাকিস্তানের দাবি, আফগান সরকার সীমান্তপারের হামলা বাড়ানো সশস্ত্র গোষ্ঠী দমন করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
আফগানিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে, বরং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আইএসআইএল-ঘনিষ্ঠ যোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তোলে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব
দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে, যার কারণে সীমান্তে পূর্ণ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চীনের মধ্যস্থতা এবং সংলাপের প্রচেষ্টা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তান–আফগান সীমান্তে উত্তেজনা ও চীনের মধ্যস্থতা
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের কারণে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে তোরখাম সীমান্ত ক্রসিং এলাকায় তালেবান সৈন্য ও নিরাপত্তা কর্মীরা পাহারা দিচ্ছে, যা উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চীনের মধ্যস্থতা
চীন এই সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। বেইজিং জানিয়েছে যে তারা কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে সংকট নিরসনে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং জানান, ইসলামাবাদ ও কাবুলের সঙ্গে চীনের নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
চীন সবসময় সংলাপ ও আলোচনার পক্ষে, এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে।
উত্তেজনার ইতিহাস
সীমান্ত সংঘর্ষ ও চীনের মধ্যস্থতার প্রেক্ষাপট আরও স্পষ্ট করতে কিছু পূর্ববর্তী ঘটনার দিকে তাকানো যায়:
গত বছরের অক্টোবর মাসে কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় দোহায় আলোচনার পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তার আগে সীমান্তজুড়ে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ এবং পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পাকিস্তানের দাবি, আফগান সরকার সীমান্তপারের হামলা বাড়ানো সশস্ত্র গোষ্ঠী দমন করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
আফগানিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে, বরং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আইএসআইএল-ঘনিষ্ঠ যোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তোলে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব
দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে, যার কারণে সীমান্তে পূর্ণ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চীনের মধ্যস্থতা এবং সংলাপের প্রচেষ্টা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন