মেঘনা নদীতে দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ
জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ঘোষণা করেছে যে, মার্চ ও এপ্রিল মাসের জন্য মেঘনা নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা ও জাল ফেলা নিষিদ্ধ। এই দুই মাসে আইন অমান্য করলে জেলেদের বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানা ধার্য করা হবে।
মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ড প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে ছোট ইলিশ বা জাটকা রক্ষা করা এবং নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হবে।
জেলেদের প্রণোদনা
লক্ষ্মীপুর জেলার তথ্য অনুযায়ী, এই জেলায় মোট ৫২ হাজার জেলে রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত। এরা মূলত মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে জীবিকা নির্বাহ করে। সরকার জাটকা সংরক্ষণ এবং মৎস্য উত্পাদন বাড়াতে, এই চার মাসের মধ্যে (মার্চ ও এপ্রিলসহ) প্রতি জেলেকে ১৬০ কেজি ভিজিএফের চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
উদ্দেশ্য
ছোট ইলিশ বা জাটকা রক্ষা করা
ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা
নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা
জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি উপার্জনের নিশ্চয়তা দেওয়া
মৎস্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হলে ইলিশের সংখ্যা আগামী বছর আরও বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় জেলেদের জীবিকা নিরাপদ থাকবে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মেঘনা নদীতে দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ
জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ঘোষণা করেছে যে, মার্চ ও এপ্রিল মাসের জন্য মেঘনা নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা ও জাল ফেলা নিষিদ্ধ। এই দুই মাসে আইন অমান্য করলে জেলেদের বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানা ধার্য করা হবে।
মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ড প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে ছোট ইলিশ বা জাটকা রক্ষা করা এবং নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হবে।
জেলেদের প্রণোদনা
লক্ষ্মীপুর জেলার তথ্য অনুযায়ী, এই জেলায় মোট ৫২ হাজার জেলে রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত। এরা মূলত মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে জীবিকা নির্বাহ করে। সরকার জাটকা সংরক্ষণ এবং মৎস্য উত্পাদন বাড়াতে, এই চার মাসের মধ্যে (মার্চ ও এপ্রিলসহ) প্রতি জেলেকে ১৬০ কেজি ভিজিএফের চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
উদ্দেশ্য
ছোট ইলিশ বা জাটকা রক্ষা করা
ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা
নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা
জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি উপার্জনের নিশ্চয়তা দেওয়া
মৎস্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা বাস্তবায়ন হলে ইলিশের সংখ্যা আগামী বছর আরও বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় জেলেদের জীবিকা নিরাপদ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন