বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ঋণের বোঝা বাড়ানোর পরিবর্তে সাময়িক লোডশেডিং মেনে নেওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত—এমন মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সচিবালয়ে জ্বালানি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি)-এর নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, আমদানি ব্যয়ের চাপ এবং ডলারের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক ঋণ নিয়ে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর আরও বড় চাপ তৈরি হতে পারে। তাই সাময়িকভাবে লোডশেডিং মেনে নিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে তিনি বেশি যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে কাঠামোগত সংস্কার, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দেশীয় সম্পদ অনুসন্ধানের ওপর জোর দিচ্ছে। আমদানি-নির্ভরতা কমাতে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানো, এলএনজি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তথ্যভিত্তিক ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি ঘাটতি ও অর্থায়ন সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। সরকার বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বল্পমেয়াদি কষ্ট সহ্য করেই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এগোতে হবে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ঋণের বোঝা বাড়ানোর পরিবর্তে সাময়িক লোডশেডিং মেনে নেওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত—এমন মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সচিবালয়ে জ্বালানি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি)-এর নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, আমদানি ব্যয়ের চাপ এবং ডলারের সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপক ঋণ নিয়ে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর আরও বড় চাপ তৈরি হতে পারে। তাই সাময়িকভাবে লোডশেডিং মেনে নিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে তিনি বেশি যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে কাঠামোগত সংস্কার, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দেশীয় সম্পদ অনুসন্ধানের ওপর জোর দিচ্ছে। আমদানি-নির্ভরতা কমাতে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানো, এলএনজি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তথ্যভিত্তিক ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি ঘাটতি ও অর্থায়ন সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। সরকার বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বল্পমেয়াদি কষ্ট সহ্য করেই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথে এগোতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন