রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এ নোটিশ প্রেরণ করেন। নোটিশটি পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য জুলাই মাসকে অসম্মান করেছে, যা তার সাংবিধানিক শপথ ও দায়িত্বের পরিপন্থী। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক; এ ধরনের বক্তব্য সেই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই তাকে অপসারণ করে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিশংসন প্রক্রিয়া কী?
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হলে সংসদে অভিশংসন প্রস্তাব আনতে হয়। এ প্রস্তাব পাসের জন্য সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ কেবল আইনি নোটিশ পাঠানোই যথেষ্ট নয়; সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হতে হবে।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অপসারণের দাবি নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও এ ধরনের নোটিশ অতীতে বিভিন্ন ইস্যুতে পাঠানো হয়েছে, বাস্তবে তা কতদূর অগ্রসর হবে—তা নির্ভর করবে সংসদের অবস্থান ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এ নোটিশ প্রেরণ করেন। নোটিশটি পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য জুলাই মাসকে অসম্মান করেছে, যা তার সাংবিধানিক শপথ ও দায়িত্বের পরিপন্থী। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক; এ ধরনের বক্তব্য সেই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই তাকে অপসারণ করে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অভিশংসন প্রক্রিয়া কী?
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হলে সংসদে অভিশংসন প্রস্তাব আনতে হয়। এ প্রস্তাব পাসের জন্য সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ কেবল আইনি নোটিশ পাঠানোই যথেষ্ট নয়; সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হতে হবে।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অপসারণের দাবি নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও এ ধরনের নোটিশ অতীতে বিভিন্ন ইস্যুতে পাঠানো হয়েছে, বাস্তবে তা কতদূর অগ্রসর হবে—তা নির্ভর করবে সংসদের অবস্থান ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন