বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজা–এর ফেরার গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল—তারা কি আবার জাতীয় দলের জার্সিতে বা দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয় হবেন? তবে এতদিন বিষয়টি ছিল কেবলই অনুমাননির্ভর। এবার সেই আলোচনায় আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিলেন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সাকিব ও মাশরাফি বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবার প্রাসঙ্গিক হতে পারেন—কিন্তু তার আগে একটি শর্ত পূরণ করতে হবে। তাদের নামে থাকা মামলাগুলোর আইনি সমাধান করতে হবে। অর্থাৎ, খেলায় ফেরার পথ পুরোপুরি বন্ধ নয়; তবে সেটি নির্ভর করছে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তির ওপর।
সরকারের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকার শতভাগ নমনীয় থাকবে। এতে বোঝা যায়, প্রশাসনিক বা নীতিগত দিক থেকে কোনো বাধা নেই; মূল বিষয় হচ্ছে বিচারিক প্রক্রিয়া। মামলাগুলোর নিষ্পত্তি হলে তারা ক্রিকেটে ফিরতে আইনগতভাবে আর বাধাগ্রস্ত হবেন না।
উল্লেখ্য, সাকিব আল হাসান বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং বিভিন্ন সময় তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আইনি জটিলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তার ক্ষেত্রেও কিছু মামলা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব কারণেই তাদের আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের প্রত্যাবর্তন হলে তা দলের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য তাদের উপস্থিতি হতে পারে অনুপ্রেরণার উৎস। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করছে আইনি জট খুলতে কতটা সময় লাগে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয় তার ওপর।
এখন দেখার বিষয়—মামলাগুলোর নিষ্পত্তি কত দ্রুত হয় এবং সেই পথ পেরিয়ে সাকিব-মাশরাফি আবারও দেশের ক্রিকেটে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন কি না।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজা–এর ফেরার গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল—তারা কি আবার জাতীয় দলের জার্সিতে বা দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয় হবেন? তবে এতদিন বিষয়টি ছিল কেবলই অনুমাননির্ভর। এবার সেই আলোচনায় আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিলেন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সাকিব ও মাশরাফি বাংলাদেশের ক্রিকেটে আবার প্রাসঙ্গিক হতে পারেন—কিন্তু তার আগে একটি শর্ত পূরণ করতে হবে। তাদের নামে থাকা মামলাগুলোর আইনি সমাধান করতে হবে। অর্থাৎ, খেলায় ফেরার পথ পুরোপুরি বন্ধ নয়; তবে সেটি নির্ভর করছে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তির ওপর।
সরকারের অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকার শতভাগ নমনীয় থাকবে। এতে বোঝা যায়, প্রশাসনিক বা নীতিগত দিক থেকে কোনো বাধা নেই; মূল বিষয় হচ্ছে বিচারিক প্রক্রিয়া। মামলাগুলোর নিষ্পত্তি হলে তারা ক্রিকেটে ফিরতে আইনগতভাবে আর বাধাগ্রস্ত হবেন না।
উল্লেখ্য, সাকিব আল হাসান বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং বিভিন্ন সময় তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আইনি জটিলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তার ক্ষেত্রেও কিছু মামলা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব কারণেই তাদের আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের প্রত্যাবর্তন হলে তা দলের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য তাদের উপস্থিতি হতে পারে অনুপ্রেরণার উৎস। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করছে আইনি জট খুলতে কতটা সময় লাগে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয় তার ওপর।
এখন দেখার বিষয়—মামলাগুলোর নিষ্পত্তি কত দ্রুত হয় এবং সেই পথ পেরিয়ে সাকিব-মাশরাফি আবারও দেশের ক্রিকেটে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন কি না।

আপনার মতামত লিখুন