ভারতের কলকাতা শহরে রমজানকে সামনে রেখে ‘ইসরায়েলি’ খেজুর বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একাংশ ব্যবসায়ী। পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম পাইকারি ফলবাজারগুলোর একটি, মেছুয়া ফলপট্টি–র ব্যবসায়ীরা একযোগে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এই বাজারটি হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন বড়বাজার এলাকায় অবস্থিত এবং রমজান মৌসুমে খেজুর বেচাকেনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
ব্যবসায়ীদের দাবি, গাজায়
ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান হামলার প্রতিবাদ হিসেবেই তারা এ বছর ইফতার বাজারে ‘ইসরায়েলি’ খেজুর তুলছেন না। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, আমদানিকারকদের কাছে আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—এ ধরনের পণ্য বাজারে আনা হলে তা গ্রহণ করা হবে না। কিছু ক্ষেত্রে কনটেইনারসহ চালান ফেরত পাঠানোর কথাও বলা হয়েছে।রমজান মাসে কলকাতার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে খেজুরের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। সাধারণত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তিউনিসিয়া ও ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর আমদানি করা হয়। তবে এবার ব্যবসায়ীরা বিকল্প উৎস থেকে খেজুর সংগ্রহের দিকে ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে।
এ সিদ্ধান্তের ফলে বাজারদর ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কী প্রভাব পড়বে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, প্রতিবাদ জানানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য; বাজারে খেজুরের ঘাটতি তৈরি করা নয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তারা

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের কলকাতা শহরে রমজানকে সামনে রেখে ‘ইসরায়েলি’ খেজুর বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একাংশ ব্যবসায়ী। পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম পাইকারি ফলবাজারগুলোর একটি, মেছুয়া ফলপট্টি–র ব্যবসায়ীরা একযোগে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এই বাজারটি হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন বড়বাজার এলাকায় অবস্থিত এবং রমজান মৌসুমে খেজুর বেচাকেনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
ব্যবসায়ীদের দাবি, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান হামলার প্রতিবাদ হিসেবেই তারা এ বছর ইফতার বাজারে ‘ইসরায়েলি’ খেজুর তুলছেন না। তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, আমদানিকারকদের কাছে আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—এ ধরনের পণ্য বাজারে আনা হলে তা গ্রহণ করা হবে না। কিছু ক্ষেত্রে কনটেইনারসহ চালান ফেরত পাঠানোর কথাও বলা হয়েছে।
রমজান মাসে কলকাতার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে খেজুরের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। সাধারণত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তিউনিসিয়া ও ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর আমদানি করা হয়। তবে এবার ব্যবসায়ীরা বিকল্প উৎস থেকে খেজুর সংগ্রহের দিকে ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে।
এ সিদ্ধান্তের ফলে বাজারদর ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কী প্রভাব পড়বে—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, প্রতিবাদ জানানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য; বাজারে খেজুরের ঘাটতি তৈরি করা নয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তারা

আপনার মতামত লিখুন