ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রে'ফতারের দাবি এনসিপির

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রে'ফতারের দাবি এনসিপির
ছবি সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন–এর বিরুদ্ধে অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায় নির্ধারণে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তার বক্তব্যে মূল অভিযোগ ছিল—রাষ্ট্রপতি হিসেবে সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতা। এনসিপি মনে করে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তা প্রশ্নে নৈতিক ও সাংবিধানিক দায় রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তায়। এ প্রেক্ষিতে দলটি অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানায়।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত। নির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন, তদন্ত এবং সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ রাজনৈতিক দাবি জানালেই তা কার্যকর হয় না; সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক।

বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দেওয়া এ বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন দাবির রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গুরুত্ব রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বিষয়টি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রে'ফতারের দাবি এনসিপির

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন–এর বিরুদ্ধে অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না।” তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায় নির্ধারণে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তার বক্তব্যে মূল অভিযোগ ছিল—রাষ্ট্রপতি হিসেবে সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থতা। এনসিপি মনে করে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তা প্রশ্নে নৈতিক ও সাংবিধানিক দায় রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তায়। এ প্রেক্ষিতে দলটি অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরুর আহ্বান জানায়।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত। নির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন, তদন্ত এবং সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ রাজনৈতিক দাবি জানালেই তা কার্যকর হয় না; সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক।

বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দেওয়া এ বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন দাবির রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গুরুত্ব রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বিষয়টি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল