কুষ্টিয়ার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়—“আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে।”
কী ঘটেছে?
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে যদুবয়রা ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে ছাত্র ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন হোসেন। সেখানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাজার ইজারা ও ছাত্রদের অধিকার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই বাজার খেকো যেসব দালাল আছেন, আপনারা খুব সহজে এই ছেলেদের অধিকারের জায়গা দখল করবেন না। এই ক্ষুধার্ত ছেলেরা যদি বাজার-ঘাট না খেতে পারে, সরকার লিজ দেবে। এসব ছাত্ররা প্রয়োজনে বাপের কাছ থেকে ভিক্ষা করে হলেও বাজার লিজ নেবে।”
তার বক্তব্যের একটি অংশ—“আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে”—বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য বাজার ইজারায় অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
প্রতিক্রিয়া কী?
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের দাবি, সরকারি সম্পদ বা বাজার ইজারা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, নিয়ম ও নীতিমালার ভিত্তিতেই হওয়া উচিত।
অন্যদিকে, স্থানীয় কিছু সমর্থক বলছেন, তিনি মূলত আন্দোলনে যুক্ত ছাত্র ও কর্মীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার কথা বলতে চেয়েছেন এবং বক্তব্যটি প্রেক্ষাপট বিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রশাসনের অবস্থান
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন বা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে হাট-বাজার ইজারা সাধারণত স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নিলাম বা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয়। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়; অতীতেও বিভিন্ন এলাকায় বাজার ইজারা কেন্দ্র করে উত্তেজনা বা বিরোধের ঘটনা ঘটেছে।
বর্তমানে যদুবয়রা ইউনিয়নের ঘটনাটি কতদূর গড়ায় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান কী হয়—সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়—“আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে।”
কী ঘটেছে?
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে যদুবয়রা ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে ছাত্র ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন হোসেন। সেখানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাজার ইজারা ও ছাত্রদের অধিকার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই বাজার খেকো যেসব দালাল আছেন, আপনারা খুব সহজে এই ছেলেদের অধিকারের জায়গা দখল করবেন না। এই ক্ষুধার্ত ছেলেরা যদি বাজার-ঘাট না খেতে পারে, সরকার লিজ দেবে। এসব ছাত্ররা প্রয়োজনে বাপের কাছ থেকে ভিক্ষা করে হলেও বাজার লিজ নেবে।”
তার বক্তব্যের একটি অংশ—“আন্দোলনে যারা ছিল, তারাই হাট-ঘাট খাবে”—বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য বাজার ইজারায় অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
প্রতিক্রিয়া কী?
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের দাবি, সরকারি সম্পদ বা বাজার ইজারা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, নিয়ম ও নীতিমালার ভিত্তিতেই হওয়া উচিত।
অন্যদিকে, স্থানীয় কিছু সমর্থক বলছেন, তিনি মূলত আন্দোলনে যুক্ত ছাত্র ও কর্মীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার কথা বলতে চেয়েছেন এবং বক্তব্যটি প্রেক্ষাপট বিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রশাসনের অবস্থান
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন বা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে হাট-বাজার ইজারা সাধারণত স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নিলাম বা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয়। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়; অতীতেও বিভিন্ন এলাকায় বাজার ইজারা কেন্দ্র করে উত্তেজনা বা বিরোধের ঘটনা ঘটেছে।
বর্তমানে যদুবয়রা ইউনিয়নের ঘটনাটি কতদূর গড়ায় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান কী হয়—সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন