সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে প্রায় ৯০ বছরের ঐতিহ্য ধরে চলছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার আয়োজন। ১৯৩৫ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ রোজাদারদের জন্য যে ইফতার মাহফিল চালু করেছিলেন, তা আজও সমানভাবে অব্যাহত রয়েছে। তার ইন্তেকালের পর এই কার্যক্রমের দায়িত্ব নেয় নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়োজনকে আরও বিস্তৃত করেছে।
বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার মানুষ একসঙ্গে এখানে ইফতার করেন। শুধু সাতক্ষীরা নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ধর্মপ্রাণ মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী ইফতারে অংশ নিতে নলতা শরীফে আসেন। অনেকেই এটিকে শুধু ইফতার নয়, বরং একটি আধ্যাত্মিক মিলনমেলা হিসেবে দেখেন।
প্রতিদিন সকাল থেকেই শুরু হয় বিশাল প্রস্তুতি। মিশন চত্বরে ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী রান্না ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকেন। কেউ ছোলা রান্না করছেন, কেউ ফিরনি প্রস্তুত করছেন। অন্যদিকে শিঙাড়া ভাজা, ডিম সিদ্ধ, চিড়া ভেজানো—সবই চলছে সমান্তরালে। কলা ও খেজুর বাছাই করে প্লেটে সাজানোর কাজেও থাকেন অনেকে।
ইফতার পরিবেশন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন প্রায় ৩০০ জন স্বেচ্ছাসেবক। নির্ধারিত সময়ের আগেই সারিবদ্ধভাবে বসে পড়েন রোজাদাররা। আজানের সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষ একসঙ্গে ইফতার শুরু করেন—যা এক অনন্য দৃশ্যের জন্ম দেয়।
দীর্ঘ নয় দশক ধরে চলে আসা এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি মানবসেবা, সাম্য ও সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত। স্থানীয়দের মতে, নলতা শরীফের এই ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ও গর্বের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে প্রায় ৯০ বছরের ঐতিহ্য ধরে চলছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার আয়োজন। ১৯৩৫ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ রোজাদারদের জন্য যে ইফতার মাহফিল চালু করেছিলেন, তা আজও সমানভাবে অব্যাহত রয়েছে। তার ইন্তেকালের পর এই কার্যক্রমের দায়িত্ব নেয় নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়োজনকে আরও বিস্তৃত করেছে।
বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার মানুষ একসঙ্গে এখানে ইফতার করেন। শুধু সাতক্ষীরা নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ধর্মপ্রাণ মানুষ এই ঐতিহ্যবাহী ইফতারে অংশ নিতে নলতা শরীফে আসেন। অনেকেই এটিকে শুধু ইফতার নয়, বরং একটি আধ্যাত্মিক মিলনমেলা হিসেবে দেখেন।
প্রতিদিন সকাল থেকেই শুরু হয় বিশাল প্রস্তুতি। মিশন চত্বরে ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মী রান্না ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকেন। কেউ ছোলা রান্না করছেন, কেউ ফিরনি প্রস্তুত করছেন। অন্যদিকে শিঙাড়া ভাজা, ডিম সিদ্ধ, চিড়া ভেজানো—সবই চলছে সমান্তরালে। কলা ও খেজুর বাছাই করে প্লেটে সাজানোর কাজেও থাকেন অনেকে।
ইফতার পরিবেশন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন প্রায় ৩০০ জন স্বেচ্ছাসেবক। নির্ধারিত সময়ের আগেই সারিবদ্ধভাবে বসে পড়েন রোজাদাররা। আজানের সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষ একসঙ্গে ইফতার শুরু করেন—যা এক অনন্য দৃশ্যের জন্ম দেয়।
দীর্ঘ নয় দশক ধরে চলে আসা এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি মানবসেবা, সাম্য ও সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত। স্থানীয়দের মতে, নলতা শরীফের এই ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ও গর্বের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আপনার মতামত লিখুন