নিজের ফেসবুক–ইনস্টাগ্রাম বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট (বন্ধ) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের অবগতির জন্য এ সিদ্ধান্ত জানানো হচ্ছে। মুখ্য সচিব স্পষ্ট করে বলেন, আপাতত তিনি কোনো ব্যক্তিগত ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না। তার পূর্বে ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টগুলো ইতোমধ্যে ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়েছে।
তবে কী কারণে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নানা ধরনের বিভ্রান্তি, ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা ভুল ব্যাখ্যার ঝুঁকি থাকে। এমন প্রেক্ষাপটে অনেকেই ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সাধারণত দাপ্তরিক মাধ্যম ও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। মুখ্য সচিবের এই সিদ্ধান্তও সেই প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজের ফেসবুক–ইনস্টাগ্রাম বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট (বন্ধ) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের অবগতির জন্য এ সিদ্ধান্ত জানানো হচ্ছে। মুখ্য সচিব স্পষ্ট করে বলেন, আপাতত তিনি কোনো ব্যক্তিগত ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না। তার পূর্বে ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টগুলো ইতোমধ্যে ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়েছে।
তবে কী কারণে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নানা ধরনের বিভ্রান্তি, ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা ভুল ব্যাখ্যার ঝুঁকি থাকে। এমন প্রেক্ষাপটে অনেকেই ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সাধারণত দাপ্তরিক মাধ্যম ও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। মুখ্য সচিবের এই সিদ্ধান্তও সেই প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা

আপনার মতামত লিখুন