লামা থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
পার্বত্য অঞ্চলে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে লামা থেকে। এ ঘোষণা দিয়েছেন দীপেন দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী।
তিনি জানান, বান্দরবানের লামা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা জেলার অন্যান্য উপজেলা ও পরে সমগ্র পার্বত্য এলাকায় সম্প্রসারিত করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো—সহায়তা ও ভর্তুকি কার্যক্রম সঠিক উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে বিশেষ কমিটি গঠন করে অভিযোগ যাচাই এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হবে, যাতে খাদ্যসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগী চিহ্নিতকরণ সহজ হবে এবং অনিয়ম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লামা থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
পার্বত্য অঞ্চলে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে লামা থেকে। এ ঘোষণা দিয়েছেন দীপেন দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী।
তিনি জানান, বান্দরবানের লামা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা জেলার অন্যান্য উপজেলা ও পরে সমগ্র পার্বত্য এলাকায় সম্প্রসারিত করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো—সহায়তা ও ভর্তুকি কার্যক্রম সঠিক উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে বিশেষ কমিটি গঠন করে অভিযোগ যাচাই এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে উপকারভোগীদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হবে, যাতে খাদ্যসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগী চিহ্নিতকরণ সহজ হবে এবং অনিয়ম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন