জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রী
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মমুখী শিক্ষায় জোর
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে হলে কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
জাপানে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
সভায় জানানো হয়, জাপানে নির্মাণ, কেয়ারগিভিং, উৎপাদন শিল্প, আইটি ও বিভিন্ন কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জাপানের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এজন্য ভাষাগত দক্ষতা—বিশেষ করে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ—এবং আন্তর্জাতিক মানের সনদ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ
ফলোআপ বৈঠকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মমুখী শিক্ষায় জোর
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে হলে কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
জাপানে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
সভায় জানানো হয়, জাপানে নির্মাণ, কেয়ারগিভিং, উৎপাদন শিল্প, আইটি ও বিভিন্ন কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জাপানের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এজন্য ভাষাগত দক্ষতা—বিশেষ করে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ—এবং আন্তর্জাতিক মানের সনদ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ
ফলোআপ বৈঠকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রী
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মমুখী শিক্ষায় জোর
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে হলে কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
জাপানে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
সভায় জানানো হয়, জাপানে নির্মাণ, কেয়ারগিভিং, উৎপাদন শিল্প, আইটি ও বিভিন্ন কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জাপানের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এজন্য ভাষাগত দক্ষতা—বিশেষ করে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ—এবং আন্তর্জাতিক মানের সনদ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ
ফলোআপ বৈঠকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
কর্মমুখী শিক্ষায় জোর
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে হলে কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
জাপানে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
সভায় জানানো হয়, জাপানে নির্মাণ, কেয়ারগিভিং, উৎপাদন শিল্প, আইটি ও বিভিন্ন কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জাপানের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এজন্য ভাষাগত দক্ষতা—বিশেষ করে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ—এবং আন্তর্জাতিক মানের সনদ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ
ফলোআপ বৈঠকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার আশা করছে, জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন