সড়ক পরিবহন খাতে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে বর্ণনা করাকে অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এনসিপি নেতা ও ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
তিনি বলেন, সড়কে জোরপূর্বক বা প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়কে ভিন্ন নামে ডাকা হলেও তার চরিত্র বদলায় না। এটি যদি স্বেচ্ছায় না হয়, বরং চাপ, ভয়ভীতি বা বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে নেওয়া হয়—তাহলে সেটি স্পষ্টতই চাঁদাবাজি। এ ধরনের কার্যক্রমকে ‘সমঝোতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা অনিয়মকে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার ঝুঁকি তৈরি করে।
তাসনিম জারা আরও বলেন, সড়ক পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে অনিয়মের ভাষাগত রূপান্তর নয়, বরং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর আইন প্রয়োগ প্রয়োজন। অন্যথায় পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ যাত্রী—সবার ওপরই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি বা অবৈধ অর্থ আদায়ের যে কোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে সড়ক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সড়ক পরিবহন খাতে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে বর্ণনা করাকে অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এনসিপি নেতা ও ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
তিনি বলেন, সড়কে জোরপূর্বক বা প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়কে ভিন্ন নামে ডাকা হলেও তার চরিত্র বদলায় না। এটি যদি স্বেচ্ছায় না হয়, বরং চাপ, ভয়ভীতি বা বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে নেওয়া হয়—তাহলে সেটি স্পষ্টতই চাঁদাবাজি। এ ধরনের কার্যক্রমকে ‘সমঝোতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা অনিয়মকে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার ঝুঁকি তৈরি করে।
তাসনিম জারা আরও বলেন, সড়ক পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে অনিয়মের ভাষাগত রূপান্তর নয়, বরং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর আইন প্রয়োগ প্রয়োজন। অন্যথায় পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ যাত্রী—সবার ওপরই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি বা অবৈধ অর্থ আদায়ের যে কোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে সড়ক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়।

আপনার মতামত লিখুন