নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আবারও রক্তাক্ত ঘটনা। বাড়ি ফেরার পথে এক যুবক রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা—ঘটনার পর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে আতঙ্ক।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের পরমশুরদি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আবু নাঈম (২৫) স্থানীয় বাসিন্দা হেকিম হাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (প্রাথমিক তথ্যে এমনটাই জানা গেছে)।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। কে বা কারা, কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে—তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা, স্থানীয় বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এ ধরনের সহিংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি—দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আবারও রক্তাক্ত ঘটনা। বাড়ি ফেরার পথে এক যুবক রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা—ঘটনার পর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে আতঙ্ক।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের পরমশুরদি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আবু নাঈম (২৫) স্থানীয় বাসিন্দা হেকিম হাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (প্রাথমিক তথ্যে এমনটাই জানা গেছে)।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। কে বা কারা, কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে—তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা, স্থানীয় বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এ ধরনের সহিংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি—দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে

আপনার মতামত লিখুন