গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশু মেজবাহের মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে আটকে যাওয়া শিশু মুহাম্মদ মেজবাহ মারা গেছে। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে গর্ত থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাউজানের একটি মাঠে পরিত্যক্ত ও খোলা অবস্থায় থাকা গভীর নলকূপের গর্তে খেলতে খেলতে পড়ে যায় চার বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ মেজবাহ। ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। সংকীর্ণ ও গভীর গর্ত হওয়ায় উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারীদের। দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর শিশুটিকে গর্ত থেকে তোলা সম্ভব হয়।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবারে চলছে হৃদয়বিদারক মাতম। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্ত খোলা ও অরক্ষিত থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে পরিত্যক্ত নলকূপের গর্তগুলো শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশু মেজবাহের মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে আটকে যাওয়া শিশু মুহাম্মদ মেজবাহ মারা গেছে। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে গর্ত থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাউজানের একটি মাঠে পরিত্যক্ত ও খোলা অবস্থায় থাকা গভীর নলকূপের গর্তে খেলতে খেলতে পড়ে যায় চার বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ মেজবাহ। ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। সংকীর্ণ ও গভীর গর্ত হওয়ায় উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারীদের। দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর শিশুটিকে গর্ত থেকে তোলা সম্ভব হয়।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবারে চলছে হৃদয়বিদারক মাতম। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্ত খোলা ও অরক্ষিত থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে পরিত্যক্ত নলকূপের গর্তগুলো শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন