এখন হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে, যেখানে দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজ (ডিজিটালি নিবন্ধন) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে — এবং সেই রায়ের অনুলিপি রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান তার দল হাতে পেয়েছেন ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এ।
???? রায়ের প্রধান বিষয়সমূহ
???? সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল করতে হবে
হাইকোর্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, দেশের সব বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন একটি কেন্দ্রীয়, সার্চযোগ্য এবং টেম্পার-প্রুফ (পরিবর্তন অযোগ্য) ডিজিটাল সিস্টেমে করতে হবে।
???? কেন রায় প্রয়োজন?
আদালত মন্তব্য করেছে যে বর্তমান রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা ডিজিটাল নয়, ফলে:
তথ্য যাচাই করা কঠিন,
প্রতারণা ও গোপন বিবাহ/একাধিক বিবাহের সুযোগ তৈরি হয়,
এগুলো নাগরিকদের সামাজিক মর্যাদা ও আইনী নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে।
???? সরকারের দায়িত্ব কী দেওয়া হয়েছে? হাইকোর্ট তিনটি প্রধান নির্দেশনা দিয়েছেন (সবগুলোই সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক):
কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে হবে।
সকল নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতির আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
???? রিট-কেসের পটভূমি এ রিট করা হয়েছিল ২০২১ সালের ৪ মার্চ, যেখানে চারজন ব্যক্তি এবং একটি সংগঠন (Aid for Man Foundation) ডিজিটাল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। রিটের শুনানি পরে হয় এবং ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই রায় ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
এখন হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে, যেখানে দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজ (ডিজিটালি নিবন্ধন) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে — এবং সেই রায়ের অনুলিপি রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান তার দল হাতে পেয়েছেন ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এ।
???? রায়ের প্রধান বিষয়সমূহ
???? সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল করতে হবে
হাইকোর্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, দেশের সব বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন একটি কেন্দ্রীয়, সার্চযোগ্য এবং টেম্পার-প্রুফ (পরিবর্তন অযোগ্য) ডিজিটাল সিস্টেমে করতে হবে।
???? কেন রায় প্রয়োজন?
আদালত মন্তব্য করেছে যে বর্তমান রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা ডিজিটাল নয়, ফলে:
তথ্য যাচাই করা কঠিন,
প্রতারণা ও গোপন বিবাহ/একাধিক বিবাহের সুযোগ তৈরি হয়,
এগুলো নাগরিকদের সামাজিক মর্যাদা ও আইনী নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে।
???? সরকারের দায়িত্ব কী দেওয়া হয়েছে? হাইকোর্ট তিনটি প্রধান নির্দেশনা দিয়েছেন (সবগুলোই সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক):
কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে হবে।
সকল নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতির আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
???? রিট-কেসের পটভূমি এ রিট করা হয়েছিল ২০২১ সালের ৪ মার্চ, যেখানে চারজন ব্যক্তি এবং একটি সংগঠন (Aid for Man Foundation) ডিজিটাল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন। রিটের শুনানি পরে হয় এবং ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই রায় ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন