বামপন্থিদের ধুয়ে দিলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া, যিনি মোনামি নামেই বেশি পরিচিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের ব্যক্তিদের করা নারী বিদ্বেষী মন্তব্যের উদাহরণ তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে মোনামি উল্লেখ করেন, নারী বিদ্বেষ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি দাবি করেন, সমাজে নিজেকে প্রগতিশীল বা বামপন্থি হিসেবে পরিচয় দেওয়া অনেক ব্যক্তির বক্তব্যেও নারীর প্রতি অবমাননাকর ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এসব বক্তব্যের স্ক্রিনশট ও ছবি তিনি পোস্টে সংযুক্ত করেন।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, মতাদর্শ যাই হোক না কেন, নারীর প্রতি অবমাননা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা আদর্শ নারী বিদ্বেষকে বৈধতা দিতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ ও ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানান।
তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ কেউ সমালোচনাও করেছেন। বিশেষ করে বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নারী বিদ্বেষ, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও মতপ্রকাশের সীমা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বামপন্থিদের ধুয়ে দিলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া, যিনি মোনামি নামেই বেশি পরিচিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নারী বিদ্বেষী বক্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের ব্যক্তিদের করা নারী বিদ্বেষী মন্তব্যের উদাহরণ তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে মোনামি উল্লেখ করেন, নারী বিদ্বেষ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি দাবি করেন, সমাজে নিজেকে প্রগতিশীল বা বামপন্থি হিসেবে পরিচয় দেওয়া অনেক ব্যক্তির বক্তব্যেও নারীর প্রতি অবমাননাকর ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। এসব বক্তব্যের স্ক্রিনশট ও ছবি তিনি পোস্টে সংযুক্ত করেন।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, মতাদর্শ যাই হোক না কেন, নারীর প্রতি অবমাননা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা আদর্শ নারী বিদ্বেষকে বৈধতা দিতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ ও ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানান।
তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ কেউ সমালোচনাও করেছেন। বিশেষ করে বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নারী বিদ্বেষ, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও মতপ্রকাশের সীমা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন