বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কোরআনের তালিমের ব্যবস্থা করা হবে: আ ফ ম ডা. খালেদ হোসেন
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও সুদৃঢ় করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত কোরআনের তালিম চালুর ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষানুরাগী আ ফ ম ডা. খালেদ হোসেন।
শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় দেশের শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ডা. খালেদ হোসেন বলেন,
“শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য। কোরআনের শিক্ষা মানুষের চরিত্র গঠন করে, নৈতিকতা শেখায় এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে ধাপে ধাপে উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও কোরআনের মৌলিক শিক্ষা ও নৈতিক দিকগুলো পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা আধুনিক জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হবে।
ডা. খালেদ হোসেনের মতে, আজকের সমাজে নৈতিক অবক্ষয়, সহিংসতা ও সামাজিক অসংগতি বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হলো ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি। কোরআনের তালিম চালু হলে তরুণ প্রজন্ম মাদক, দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে।
তিনি বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। যদি তারা কোরআনের আলোয় নিজেদের জীবন গড়ে তোলে, তাহলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোরআনের শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়; এটি সার্বজনীন মানবকল্যাণের বার্তা বহন করে। তাই আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কোরআনের শিক্ষা চালু করা সময়ের দাবি।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা কোরআনের তালিম বিস্তারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কোরআনের তালিমের ব্যবস্থা করা হবে: আ ফ ম ডা. খালেদ হোসেন
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও সুদৃঢ় করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত কোরআনের তালিম চালুর ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষানুরাগী আ ফ ম ডা. খালেদ হোসেন।
শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় দেশের শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ডা. খালেদ হোসেন বলেন,
“শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য। কোরআনের শিক্ষা মানুষের চরিত্র গঠন করে, নৈতিকতা শেখায় এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে ধাপে ধাপে উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও কোরআনের মৌলিক শিক্ষা ও নৈতিক দিকগুলো পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা আধুনিক জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হবে।
ডা. খালেদ হোসেনের মতে, আজকের সমাজে নৈতিক অবক্ষয়, সহিংসতা ও সামাজিক অসংগতি বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হলো ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি। কোরআনের তালিম চালু হলে তরুণ প্রজন্ম মাদক, দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে।
তিনি বলেন,
“বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। যদি তারা কোরআনের আলোয় নিজেদের জীবন গড়ে তোলে, তাহলে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোরআনের শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য নয়; এটি সার্বজনীন মানবকল্যাণের বার্তা বহন করে। তাই আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কোরআনের শিক্ষা চালু করা সময়ের দাবি।
সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা কোরআনের তালিম বিস্তারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন