ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মো. নুর আহম্মদ (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে রাতে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হলেও রোববার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের মনিরবাগ এলাকায় প্রয়াত শিল্পপতি শেখ আশরাফ উদ্দিন ( ধন ) মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর আহম্মদ একই এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আকবর আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ওই বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জানা গেছে, বাড়িটির মালিক পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে থাকেন এবং বাড়ির দেখাশোনা করতেন নুর আহম্মদ।
নিহতের ছেলে সুমন মিয়া জানান, তার বাবা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত বাড়িতে গিয়ে গরুর খাবার দিতেন । কিন্তু আজ সোমবার সকাল গড়িয়ে গেলেও তিনি সেখানে যাননি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে বাড়ির গেট বন্ধ দেখতে পান তিনি। গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে পশ্চিম পাশে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। কাছে গিয়ে দেখেন, তার বাবাকে মাথায় উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় নুর আহম্মদকে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সুমন মিয়া দাবি করেন, তার বাবার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না।
স্থানীয়দের ধারণা, সন্ধ্যার পর এলাকাটি নির্জন হয়ে পড়ে এবং মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। তারা মনে করছেন, ডাকাতির উদ্দেশ্যে আসা দুর্বৃত্তদের নুর আহম্মদ চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।
এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও সন্তানরা শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
এই বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদির ভুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মো. নুর আহম্মদ (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে রাতে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হলেও রোববার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের মনিরবাগ এলাকায় প্রয়াত শিল্পপতি শেখ আশরাফ উদ্দিন ( ধন ) মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুর আহম্মদ একই এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আকবর আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ওই বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জানা গেছে, বাড়িটির মালিক পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে থাকেন এবং বাড়ির দেখাশোনা করতেন নুর আহম্মদ।
নিহতের ছেলে সুমন মিয়া জানান, তার বাবা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত বাড়িতে গিয়ে গরুর খাবার দিতেন । কিন্তু আজ সোমবার সকাল গড়িয়ে গেলেও তিনি সেখানে যাননি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে বাড়ির গেট বন্ধ দেখতে পান তিনি। গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে পশ্চিম পাশে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। কাছে গিয়ে দেখেন, তার বাবাকে মাথায় উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় নুর আহম্মদকে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সুমন মিয়া দাবি করেন, তার বাবার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না।
স্থানীয়দের ধারণা, সন্ধ্যার পর এলাকাটি নির্জন হয়ে পড়ে এবং মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। তারা মনে করছেন, ডাকাতির উদ্দেশ্যে আসা দুর্বৃত্তদের নুর আহম্মদ চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।
এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও সন্তানরা শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
এই বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদির ভুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।

আপনার মতামত লিখুন