রাজধানীতে তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোটের বৈঠকআজ (১৪ জানুয়ারি, বুধবার) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক করেছেন। এই সাক্ষাৎ মূলত সৌহার্দ্য ও মতবিনিময় ভিত্তিক ছিল।বৈঠকে জামিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোটসহ জোটের বিভিন্ন শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এটি কোনো রাজনৈতিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্তমূলক বৈঠক নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক শক্ত করার প্রচেষ্টা ছিল।সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও তার জোট রাজনৈতিক দৃঢ়তা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত বৈঠক করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বৈঠক জোটের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আর্কাইভ
৪৩ ধরনের পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে নগদ সহায়তার মেয়াদ জুন পর্যন্ত বাড়লোঢাকা: দেশের রপ্তানি খাতকে সহায়তা দিতে ৪৩ ধরনের পণ্য ও সেবা রপ্তানির বিপরীতে দেওয়া নগদ সহায়তা বা প্রণোদনার মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।এর আগে এই নগদ সহায়তা সুবিধার মেয়াদ নির্ধারিত ছিল নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, রপ্তানি ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখার লক্ষ্যে মেয়াদ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত তালিকাভুক্ত ৪৩টি পণ্য ও সেবা খাতের রপ্তানিকারকেরা আগের মতোই প্রচলিত নিয়মে এই নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা পাবেন। প্রণোদনার হার পণ্য ও সেবাভেদে ভিন্ন হবে এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এই সুবিধা দেওয়া হবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলেরপ্তানিকারকদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমবেবৈদেশিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সহজ হবেসামগ্রিকভাবে দেশের রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বেবিশেষ করে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক পণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন সেবা খাত এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রপ্তানি খাত সচল রাখতে নগদ সহায়তা অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেয়াদ বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে
এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকারঢাকা: দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর তীব্র সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকে বাকিতে (ক্রেডিট সুবিধায়) এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।সংকটের পটভূমিসম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, আমদানিতে কড়াকড়ি ও উচ্চ ব্যয়ের কারণে এলপিজির আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। অনেক এলাকায় সিলিন্ডার সংকট দেখা দেয়, কোথাও কোথাও সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হতে থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা, বিশেষ করে শহর ও গ্রামীণ এলাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ।সরকারের নতুন সিদ্ধান্তসংকট নিরসনে সরকার এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল (ইন্ডাস্ট্রিয়াল র’ ম্যাটেরিয়াল) হিসেবে বিবেচনা করে আমদানির সুযোগ সহজ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিন পর্যন্ত ক্রেডিট সুবিধা পাওয়া যাবেআমদানিকারকরা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট বা বায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আনতে পারবেনএলসি খোলার সময় তাৎক্ষণিকভাবে পুরো বৈদেশিক মুদ্রা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকবে নাএতে করে আমদানিকারকদের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং বাজারে দ্রুত এলপিজির সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।বাজারে প্রভাব পড়বে যেভাবেজ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে—আমদানি ব্যয় কমবেবাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়বেধীরে ধীরে দাম স্থিতিশীল হবেকৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা কমবেএকই সঙ্গে সরকার এলপিজি আমদানিতে ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর বিষয়েও আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশাএলপিজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি ক্রেডিট সুবিধা থাকায় এখন তারা নিয়মিতভাবে জ্বালানি আমদানি করতে পারবেন। এতে ভোক্তা পর্যায়ে সংকট কমবে এবং বাজার স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে না
বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক সাড়া বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে মার্কিন সরকার। দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব তুলে ধরে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, শুল্ক কমানো হলে বাংলাদেশি পণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য রপ্তানি খাত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে। এতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জানায়, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাজারে প্রবেশাধিকারে ভারসাম্য আনা এবং পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হলে শুল্ক বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কারিগরি পর্যালোচনা ও পরবর্তী আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে আলোচনাবৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামোয় নমনীয়তা দেখায়, তাহলে পারস্পরিকভাবে শুল্ক হ্রাসের পথ আরও সহজ হতে পারে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলও বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।সম্ভাব্য সুফলঅর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুল্ক কমানোর বিষয়ে সমঝোতা হলে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও হালকা প্রকৌশল খাত লাভবান হতে পারে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।ভবিষ্যৎ করণীয়দুই দেশ শিগগিরই এ বিষয়ে পরবর্তী দফা আলোচনা করবে বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক মহলের আশা, আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে, যা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।সারসংক্ষেপে, বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক সাড়া দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে ঝুট গুদামের আগুন ৩ ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণেগাজীপুর: গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন দেওলিয়াবাড়ী এলাকায় বুধবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে একটি ঝুটের গুদামে আগুন উঠেছে। প্রায় তিন ঘন্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট আগুন **নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় সাড়ে ৪টার দিকে ওই জুড়ে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। **প্রায় ৩ ঘণ্টা লড়ে রাত **৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।দমকল বাহিনীর কর্মীরা জানান, ঝুট খুবই দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়ায় এবং আশপাশে পানি কম থাকায় নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে। তবে বর্তমানে আগুন অনেকাংশে নিভে পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের প্রকৃত কারণ নিরুপণে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আমি কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং এখনও পর্যন্ত সরকারি কোনো কর্মকর্তা বিস্তারিত ইনভেস্টিগেশন বিবৃতি দেননি। তবে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখেছে।
ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, সারাদেশে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরুএলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ঘোষিত ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে সারাদেশে আবারও স্বাভাবিকভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সঙ্গে বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সংগঠন।বৈঠক শেষে সংগঠনের নেতারা জানান, আলোচনার মাধ্যমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ায় আপাতত ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।এর আগে কমিশন নির্ধারিত দামের সঙ্গে কমিশন ও পরিবহন ব্যয় সমন্বয়ের দাবিতে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তাদের অভিযোগ ছিল—নির্ধারিত কমিশনে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছেমাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক অভিযানে হয়রানিপরিবহন ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়াএই দাবিগুলো মানা না হলে এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় গ্যাস সংকট দেখা দেয়।বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়—নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ নেইকমিশন ও চার্জ বিষয়টি আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্বিবেচনা করা হবেপ্রশাসনিক অভিযান সংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধানের চেষ্টা করা হবেএই আশ্বাসের পরই ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেনধর্মঘট প্রত্যাহারের পর আজ থেকেই বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, ধীরে ধীরে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।ভোক্তাদের আশা, নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট আর তৈরি হবে নাএলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে দেশের জ্বালানি খাতে অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধানের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ তিন দিনে ৩৯ লাখ টাকার বেশি অনুদান তুললেনবরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ মাত্র তিন দিনের মধ্যে ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকারও বেশি অনুদান সংগ্রহ করেছেন। সমর্থক ও দেশ-বিদেশের শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই অর্থ দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা ও ব্যয় মেটাতে।ফুয়াদ জানিয়েছেন, এই অনুদানের বেশির ভাগ এসেছে বিকাশ, নগদ এবং ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে, এবং দেশের পাশাপাশি প্রবাস থেকেও অনেক অনুদান এসেছে। নির্বাচনী প্রচারণার জন্য জনগণের কাছে সরাসরি আর্থিক সহায়তা চাওয়ায় তিনি প্রশংসা পেয়েছেন।তিনি অনুদান দেওয়া সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “সব আয়‑ব্যয়ের হিসাব স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশন চাইলে আমরা অডিটেও সহযোগিতা করব।”প্রকাশিত ভিডিও বার্তার মাত্র ২৫ ঘণ্টার মধ্যে ২২ লাখ টাকার বেশি অনুদান আসে। পরবর্তী দুই দিনে আরও বাড়িয়ে এই সংগ্রহ ৩৯ লাখেরও বেশি পর্যন্ত পৌঁছেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি নির্বাচনী প্রার্থীর জন্য ভোটার ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে সরাসরি অর্থ সংগ্রহের একটি নতুন উদাহরণ, যা দেশে রাজনৈতিক অর্থ সংগ্রহের ধারাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।