নতুন খামেনির উপর হামলার পর প্রতিশোধ নিতে মিসাইল ছুড়লেন কিম জং উন
"ইরানে নতুন খামেনি আসার পর থেকেই যেন মাথা ব্যথা বেড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কারণ, তার আসার পর থেকেই যুদ্ধে কোনো ছাড় দিচ্ছে না ইরান। আর তাতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হামলা করে নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে সাহসী মুসলিম রাষ্ট্র ইরান। যদিও, এই যুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে ট্রাম্প। তবুও যেন কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না ইরানকে। তবে শেষ অস্ত্র হিসেবে যখন ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছে ট্রাম্প, ঠিক তখনই বিষয়টি জানা মাত্রই গর্জে উঠেন উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী নেতা কিম জং উন।
এমনকি, এই যুদ্ধে ইরানে পারমাণবিক হামলা হলে আমেরিকাকে পাল্টা হামলায় গুঁড়িয়ে দেবে বলে হুংকার দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকেও সমর্থন জানিয়েছেন কিম জং উন। একইসঙ্গে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অবৈধ ও শান্তি বিনষ্টকারী বলে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছেন। তবে, নতুন খামেনিকেও সরিয়ে দিতে তার ওপর হামলা চালায় ট্রাম্প। আর তাতে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হন। আর সেটি মোটেই মেনে নিতে পারেনি উত্তর কোরিয়া। আর তাই, আমেরিকাকে নিজেদের বিধ্বংসী রূপ দেখাতে এবার শক্তিশালী মিসাইল ছুড়লেন কিম জং উন। আর তাতে অনেকটাই চাপের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
আমেরিকার শত্রু দেশ ইরানের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে কিম জং উনের। আর তাই, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কোনো পাত্তা না দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা দেখাতে আবারও ডেস্ট্রয়ার জাহাজ থেকে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছেন কিম জং উন। এ নিয়ে কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পরীক্ষা করা এবং জাহাজটির নাবিকদের শিগগিরই নৌবাহিনীতে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করতে মিসাইল ছোড়ার নির্দেশ দেন কিম জং উন।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির মধ্যেই উত্তর কোরিয়া এই পরীক্ষা চালালো। এমনকি, গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সময় ধরে চলে এই পরীক্ষা বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাধ্যমে কি তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে উচিত শিক্ষা দিতে চলেছেন পারমাণবিক শক্তিধর নেতা কিম জং উন? সেটি সময়ই বলে দেবে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
নতুন খামেনির উপর হামলার পর প্রতিশোধ নিতে মিসাইল ছুড়লেন কিম জং উন
"ইরানে নতুন খামেনি আসার পর থেকেই যেন মাথা ব্যথা বেড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কারণ, তার আসার পর থেকেই যুদ্ধে কোনো ছাড় দিচ্ছে না ইরান। আর তাতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হামলা করে নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে সাহসী মুসলিম রাষ্ট্র ইরান। যদিও, এই যুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে ট্রাম্প। তবুও যেন কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না ইরানকে। তবে শেষ অস্ত্র হিসেবে যখন ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছে ট্রাম্প, ঠিক তখনই বিষয়টি জানা মাত্রই গর্জে উঠেন উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী নেতা কিম জং উন।
এমনকি, এই যুদ্ধে ইরানে পারমাণবিক হামলা হলে আমেরিকাকে পাল্টা হামলায় গুঁড়িয়ে দেবে বলে হুংকার দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকেও সমর্থন জানিয়েছেন কিম জং উন। একইসঙ্গে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অবৈধ ও শান্তি বিনষ্টকারী বলে কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়েছেন। তবে, নতুন খামেনিকেও সরিয়ে দিতে তার ওপর হামলা চালায় ট্রাম্প। আর তাতে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হন। আর সেটি মোটেই মেনে নিতে পারেনি উত্তর কোরিয়া। আর তাই, আমেরিকাকে নিজেদের বিধ্বংসী রূপ দেখাতে এবার শক্তিশালী মিসাইল ছুড়লেন কিম জং উন। আর তাতে অনেকটাই চাপের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
আমেরিকার শত্রু দেশ ইরানের সঙ্গে অনেক আগে থেকেই বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে কিম জং উনের। আর তাই, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কোনো পাত্তা না দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা দেখাতে আবারও ডেস্ট্রয়ার জাহাজ থেকে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছেন কিম জং উন। এ নিয়ে কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পরীক্ষা করা এবং জাহাজটির নাবিকদের শিগগিরই নৌবাহিনীতে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করতে মিসাইল ছোড়ার নির্দেশ দেন কিম জং উন।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর পর বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির মধ্যেই উত্তর কোরিয়া এই পরীক্ষা চালালো। এমনকি, গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সময় ধরে চলে এই পরীক্ষা বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাধ্যমে কি তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে উচিত শিক্ষা দিতে চলেছেন পারমাণবিক শক্তিধর নেতা কিম জং উন? সেটি সময়ই বলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন