ডি এস কে টিভি চ্যানেল

আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেও ইরানকে কিছুতেই দমাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানে পারমাণবিক অ'স্ত্র নিক্ষেপ করলে,যুক্তরাষ্ট্রেও পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপের ঘোষণা দিলেন কিম জং উন

ইরানে পারমাণবিক অ'স্ত্র নিক্ষেপ করলে,যুক্তরাষ্ট্রেও পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপের ঘোষণা দিলেন কিম জং উন

ইরানে পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপ করলে,যুক্তরাষ্ট্রেও পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপের ঘোষণা দিলেন কিম জং উন

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হামলা করে নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে ইরান। এই যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেও ইরানকে কিছুতেই দমাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র। 

ইরানকে দমাতে যখন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছে ট্রাম্প, ঠিক সেই মুহূর্তেই বিষয়টি জানামাত্রই গর্জে ওঠেন কিম জং উন। তিনি জানালেন, ইরানের এ যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হলে তারা নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা দেখাবে এবং আমেরিকাকে উড়িয়ে দেবে। আর তার এই হুংকারে অনেকটাই চাপের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

এছাড়াও এক মিসাইলেই শত্রু ধ্বংস হবে এমন মিসাইল সহায়তাও ইরানকে দিতে চেয়েছেন তিনি বলেও জানা গেছে। আর তাতেই এবার ভয়ে পিছু হটছে দখলদার দেশ দুটি। সুর নরম করে বারবার চাইছে যুদ্ধবিরতি। তবে সে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে আরও বিধ্বংসী হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। যুদ্ধের এই কঠিন পরিস্থিতিতে এবার ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল উত্তর কোরিয়া।

আমেরিকাকে শান্তিবিনষ্টকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, শত্রুদের কখনোই উত্তর কোরিয়ার ধৈর্য, ইচ্ছাশক্তি আর সক্ষমতাকে পরীক্ষা করার চেষ্টাও করা উচিত নয়। আর যদি সেই চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেটি তাদের জন্য অকল্পনীয়ভাবে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কিমের বোনের এমন হুঁশিয়ারিতে চমকে উঠছেন অনেকেই। অনেকেরই প্রশ্ন এমন কড়া হুঁশিয়ারি কি কেবল ইরানের পক্ষ নিয়েই বলা হয়েছে? 

কেবল ইরানের পক্ষেই নয়, বরং দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে মিলে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে যা উত্তর কোরিয়া তাদের দেশের জন্য হুমকি বলেই মনে করে। তাছাড়া চলমান যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে মিলে এমন মহড়া দিতে চাওয়াটা কেবল নিজেদের জন্যই নয় বরং বন্ধুদেশ ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে উত্তর কোরিয়া। আর তাতেই গর্জে উঠেন কিম।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সামরিক মহড়াকে যদিও ট্রাম্প শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করছে, তবে ইরানের যুদ্ধ লাগানোয় এবার এই মহড়াকে নিজের দেশের হামলার উস্কানি বলেও মনে করছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কতটা গভীরভাবে তাদের নিরাপত্তা লঙ্ঘন করছে পিয়ংইয়ং তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছেন কিম।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬


ইরানে পারমাণবিক অ'স্ত্র নিক্ষেপ করলে,যুক্তরাষ্ট্রেও পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপের ঘোষণা দিলেন কিম জং উন

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানে পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপ করলে,যুক্তরাষ্ট্রেও পারমাণবিক অ/স্ত্র নিক্ষেপের ঘোষণা দিলেন কিম জং উন


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হামলা করে নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে ইরান। এই যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেও ইরানকে কিছুতেই দমাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র। 


ইরানকে দমাতে যখন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছে ট্রাম্প, ঠিক সেই মুহূর্তেই বিষয়টি জানামাত্রই গর্জে ওঠেন কিম জং উন। তিনি জানালেন, ইরানের এ যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হলে তারা নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা দেখাবে এবং আমেরিকাকে উড়িয়ে দেবে। আর তার এই হুংকারে অনেকটাই চাপের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।


এছাড়াও এক মিসাইলেই শত্রু ধ্বংস হবে এমন মিসাইল সহায়তাও ইরানকে দিতে চেয়েছেন তিনি বলেও জানা গেছে। আর তাতেই এবার ভয়ে পিছু হটছে দখলদার দেশ দুটি। সুর নরম করে বারবার চাইছে যুদ্ধবিরতি। তবে সে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে আরও বিধ্বংসী হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। যুদ্ধের এই কঠিন পরিস্থিতিতে এবার ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল উত্তর কোরিয়া।


আমেরিকাকে শান্তিবিনষ্টকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, শত্রুদের কখনোই উত্তর কোরিয়ার ধৈর্য, ইচ্ছাশক্তি আর সক্ষমতাকে পরীক্ষা করার চেষ্টাও করা উচিত নয়। আর যদি সেই চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেটি তাদের জন্য অকল্পনীয়ভাবে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কিমের বোনের এমন হুঁশিয়ারিতে চমকে উঠছেন অনেকেই। অনেকেরই প্রশ্ন এমন কড়া হুঁশিয়ারি কি কেবল ইরানের পক্ষ নিয়েই বলা হয়েছে? 


কেবল ইরানের পক্ষেই নয়, বরং দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে মিলে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে যা উত্তর কোরিয়া তাদের দেশের জন্য হুমকি বলেই মনে করে। তাছাড়া চলমান যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে মিলে এমন মহড়া দিতে চাওয়াটা কেবল নিজেদের জন্যই নয় বরং বন্ধুদেশ ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে উত্তর কোরিয়া। আর তাতেই গর্জে উঠেন কিম।


সোমবার থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সামরিক মহড়াকে যদিও ট্রাম্প শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করছে, তবে ইরানের যুদ্ধ লাগানোয় এবার এই মহড়াকে নিজের দেশের হামলার উস্কানি বলেও মনে করছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ঠিক কী উদ্দেশ্যে এবং কতটা গভীরভাবে তাদের নিরাপত্তা লঙ্ঘন করছে পিয়ংইয়ং তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছেন কিম।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল