মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে একটি অভিযোগ—যুক্তরাষ্ট্র নাকি আঞ্চলিক মিত্রদের চেয়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পড়া উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, তাদের জন্য পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি স্পষ্ট অগ্রাধিকার কাঠামো রয়েছে। যেখানে ইসরায়েলকে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও দ্রুত সহায়তা দেওয়া হয়, আর উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষা পায়।
সম্প্রতি TRT World–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও Israel ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই Iran পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং কখনও বেসামরিক এলাকা।
এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ—যেমন Saudi Arabia, United Arab Emirates, Qatar, Bahrain এবং Kuwait। এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো থাকায় ইরানের পাল্টা হামলার বড় অংশই এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে—যেমন Iron Dome, David's Sling এবং Arrow missile defense system। এই বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে ইসরায়েল অনেক হামলাই আকাশে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে সীমিত। ফলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় তারা একই মাত্রার সুরক্ষা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হিসেবে দেখে। সেই কারণে সংকটের সময়েও ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার মূলত ইসরায়েলকেই ঘিরে থাকে। এতে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা আরও বিস্তৃত সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না আসে, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজার—দুটিই বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে একটি অভিযোগ—যুক্তরাষ্ট্র নাকি আঞ্চলিক মিত্রদের চেয়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পড়া উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, তাদের জন্য পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি স্পষ্ট অগ্রাধিকার কাঠামো রয়েছে। যেখানে ইসরায়েলকে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও দ্রুত সহায়তা দেওয়া হয়, আর উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষা পায়।
সম্প্রতি TRT World–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও Israel ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই Iran পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং কখনও বেসামরিক এলাকা।
এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ—যেমন Saudi Arabia, United Arab Emirates, Qatar, Bahrain এবং Kuwait। এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো থাকায় ইরানের পাল্টা হামলার বড় অংশই এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইসরায়েলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে—যেমন Iron Dome, David's Sling এবং Arrow missile defense system। এই বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে ইসরায়েল অনেক হামলাই আকাশে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও তা তুলনামূলকভাবে সীমিত। ফলে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় তারা একই মাত্রার সুরক্ষা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত মিত্র হিসেবে দেখে। সেই কারণে সংকটের সময়েও ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার মূলত ইসরায়েলকেই ঘিরে থাকে। এতে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা আরও বিস্তৃত সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না আসে, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজার—দুটিই বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন