সৌদিতে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত
ভাগ্যান্বেষণে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বাসিন্দা মোশারফ হোসেন (৪০)। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ ও স্বজনদের মুখে হাসি ফোটানোর আশায় সৌদি আরবে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিদেশের মাটিতে ঘাতক মিসাইল হামলায় ঝরে গেল তার জীবন, থেমে গেল পরিবারের সব স্বপ্ন।
জানা গেছে, গত রোববার (৮ মার্চ) ইফতারের কিছুক্ষণ আগে সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোশারফ হোসেন।
নিহত মোশারফ হোসেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সুরজত আলীর ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে কয়েক বছর আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়।
মোশারফের মৃত্যুর খবরে তার গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা।
প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
সৌদিতে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত
ভাগ্যান্বেষণে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বাসিন্দা মোশারফ হোসেন (৪০)। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ ও স্বজনদের মুখে হাসি ফোটানোর আশায় সৌদি আরবে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিদেশের মাটিতে ঘাতক মিসাইল হামলায় ঝরে গেল তার জীবন, থেমে গেল পরিবারের সব স্বপ্ন।
জানা গেছে, গত রোববার (৮ মার্চ) ইফতারের কিছুক্ষণ আগে সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোশারফ হোসেন।
নিহত মোশারফ হোসেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্তনখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সুরজত আলীর ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে কয়েক বছর আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়।
মোশারফের মৃত্যুর খবরে তার গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা।
প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন