ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা নিয়ে এবার মুখ খুললো উত্তর কোরিয়া
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। এবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া—যে দেশটির নেতৃত্বে রয়েছেন কিম জং উন।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-এর বরাতে জানানো হয়, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলাকে তারা “অবৈধ আগ্রাসন” হিসেবে দেখছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে কেসিএনএ জানায়, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা “প্রত্যাশিতই ছিল”। তাদের দাবি, এটি ওয়াশিংটনের তথাকথিত “আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টার-সদৃশ” নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের “আগ্রাসী যুদ্ধ” কোনো পরিস্থিতিতেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে এমন শক্তি প্রয়োগ করা হবে “যা আগে কখনও দেখা যায়নি”—যদিও এই বক্তব্য সরাসরি ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত কিনা, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান মূলত যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কূটনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইরান ও উত্তর কোরিয়া উভয় দেশই দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মুখে রয়েছে। ফলে এ ধরনের সংকটে পিয়ংইয়ংয়ের প্রকাশ্য সমর্থন কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দেশ ও জোটের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় এই সংঘাতের কূটনৈতিক ও সামরিক প্রভাব কতদূর বিস্তৃত হবে—সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা নিয়ে এবার মুখ খুললো উত্তর কোরিয়া
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। এবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া—যে দেশটির নেতৃত্বে রয়েছেন কিম জং উন।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-এর বরাতে জানানো হয়, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলাকে তারা “অবৈধ আগ্রাসন” হিসেবে দেখছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে কেসিএনএ জানায়, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা “প্রত্যাশিতই ছিল”। তাদের দাবি, এটি ওয়াশিংটনের তথাকথিত “আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টার-সদৃশ” নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের “আগ্রাসী যুদ্ধ” কোনো পরিস্থিতিতেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে এমন শক্তি প্রয়োগ করা হবে “যা আগে কখনও দেখা যায়নি”—যদিও এই বক্তব্য সরাসরি ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত কিনা, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান মূলত যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কূটনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইরান ও উত্তর কোরিয়া উভয় দেশই দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মুখে রয়েছে। ফলে এ ধরনের সংকটে পিয়ংইয়ংয়ের প্রকাশ্য সমর্থন কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দেশ ও জোটের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় এই সংঘাতের কূটনৈতিক ও সামরিক প্রভাব কতদূর বিস্তৃত হবে—সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।

আপনার মতামত লিখুন