ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪৮ জনে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৫ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত এ হামলার পর উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন। অনেকেই গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ মিনাবের ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ নামের এই বিদ্যালয়টি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে প্রায় ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভবনটি অতীতে সামরিক স্থাপনার অংশ ছিল; তবে ২০১৬ সাল থেকে এটি আলাদাভাবে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে স্কুল ভবনের ভেতরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে। হামলার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিল বলে জানা যায়, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (ইউএস সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করা হলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত অবস্থান এখনো স্পষ্ট হয়নি। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪৮ জনে পৌঁছেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৫ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত এ হামলার পর উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন। অনেকেই গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ মিনাবের ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ নামের এই বিদ্যালয়টি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে প্রায় ২০০ ফুট দূরে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভবনটি অতীতে সামরিক স্থাপনার অংশ ছিল; তবে ২০১৬ সাল থেকে এটি আলাদাভাবে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে স্কুল ভবনের ভেতরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে। হামলার সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করছিল বলে জানা যায়, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (ইউএস সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ সম্পর্কে তারা অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করা হলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত অবস্থান এখনো স্পষ্ট হয়নি। আন্তর্জাতিক মহলে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন