ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)। সংস্থাটির এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে BBC।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অধিকৃত অঞ্চল এবং আমেরিকান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক অভিযান আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে।” তবে সম্ভাব্য হামলার সময়, স্থান বা কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে চলেছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, আকাশসীমা বন্ধ এবং বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদারের মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসির এই বক্তব্য মূলত শক্ত অবস্থান প্রদর্শনের অংশ হতে পারে। সরাসরি বড় ধরনের হামলা হলে তা শুধু ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো—যেগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ—সেগুলো লক্ষ্যবস্তু হলে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত রূপ নিতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলো উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি এখনও অস্থির।
পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করবে হুঁশিয়ারির পর বাস্তবে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা কার্যকর হয় তার ওপর। আপাতত গোটা অঞ্চলই চরম সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)। সংস্থাটির এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে BBC।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অধিকৃত অঞ্চল এবং আমেরিকান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আক্রমণাত্মক অভিযান আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে।” তবে সম্ভাব্য হামলার সময়, স্থান বা কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে চলেছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ, আকাশসীমা বন্ধ এবং বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদারের মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসির এই বক্তব্য মূলত শক্ত অবস্থান প্রদর্শনের অংশ হতে পারে। সরাসরি বড় ধরনের হামলা হলে তা শুধু ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো—যেগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ—সেগুলো লক্ষ্যবস্তু হলে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত রূপ নিতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলো উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি এখনও অস্থির।
পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করবে হুঁশিয়ারির পর বাস্তবে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা কার্যকর হয় তার ওপর। আপাতত গোটা অঞ্চলই চরম সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন