জামায়াতকে ৫০টির বেশি আসনে হারানো: গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন যে সাম্প্রতিক নির্বাচনে দলটির প্রার্থীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে। তাঁর মতে, ভোটগ্রহণ তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও ভোট গণনা, ফলাফল প্রস্তুত এবং ঘোষণার সময় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীরা ক্ষুদ্র ব্যবধানে হেরে গেছেন।
গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, পঞ্চাশটিরও বেশি সংসদীয় আসনে এভাবে ভোট প্রভাবিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “যদিও মানুষ ভোট দিতে পারছিলেন এবং কেন্দ্রগুলো শান্তিপূর্ণ ছিল, কিন্তু ভোটের প্রকৃত ফলাফল তুলে ধরতে ব্যর্থ করা হয়েছে। আমাদের প্রার্থীরা স্বাভাবিকভাবে জেতার যোগ্য ছিলেন।”
এই বক্তব্য তিনি ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল মিলনায়তনে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর শাখার রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে দেন। সম্মেলনে তিনি দলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং স্থানীয় রাজনীতিতে দলের অবস্থান সংক্রান্তও আলোচনার উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের এমন অভিযোগ নির্বাচনী ন্যায়পরায়ণতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থার প্রশ্ন উত্থাপন করছে। এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যদি দলটি মনে করে যে তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
তবে সরকারি নির্বাচন কর্মকর্তা এবং কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক অভিযোগগুলো প্রমাণহীন ও রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে, এবং অল্প ব্যবধানের জয়-পরাজয় সাধারণ নির্বাচনী বৈচিত্র্য হিসেবে ধরা উচিত।
এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা আরও বেড়ে দিতে পারে। বিশেষত, সংসদীয় আসনে সংখ্যালঘু দলগুলো যখন গুরুত্বপূর্ণ আসন হারায়, তখন তারা ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
সর্বশেষ, জামায়াতের এই অভিযোগ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আলোচনা, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং দলের কৌশলগত পদক্ষেপের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতকে ৫০টির বেশি আসনে হারানো: গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন যে সাম্প্রতিক নির্বাচনে দলটির প্রার্থীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে। তাঁর মতে, ভোটগ্রহণ তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ হলেও ভোট গণনা, ফলাফল প্রস্তুত এবং ঘোষণার সময় ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীরা ক্ষুদ্র ব্যবধানে হেরে গেছেন।
গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, পঞ্চাশটিরও বেশি সংসদীয় আসনে এভাবে ভোট প্রভাবিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “যদিও মানুষ ভোট দিতে পারছিলেন এবং কেন্দ্রগুলো শান্তিপূর্ণ ছিল, কিন্তু ভোটের প্রকৃত ফলাফল তুলে ধরতে ব্যর্থ করা হয়েছে। আমাদের প্রার্থীরা স্বাভাবিকভাবে জেতার যোগ্য ছিলেন।”
এই বক্তব্য তিনি ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল মিলনায়তনে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর শাখার রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে দেন। সম্মেলনে তিনি দলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং স্থানীয় রাজনীতিতে দলের অবস্থান সংক্রান্তও আলোচনার উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের এমন অভিযোগ নির্বাচনী ন্যায়পরায়ণতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থার প্রশ্ন উত্থাপন করছে। এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যদি দলটি মনে করে যে তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
তবে সরকারি নির্বাচন কর্মকর্তা এবং কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক অভিযোগগুলো প্রমাণহীন ও রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে, এবং অল্প ব্যবধানের জয়-পরাজয় সাধারণ নির্বাচনী বৈচিত্র্য হিসেবে ধরা উচিত।
এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা আরও বেড়ে দিতে পারে। বিশেষত, সংসদীয় আসনে সংখ্যালঘু দলগুলো যখন গুরুত্বপূর্ণ আসন হারায়, তখন তারা ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
সর্বশেষ, জামায়াতের এই অভিযোগ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আলোচনা, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং দলের কৌশলগত পদক্ষেপের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন